পোস্ট বার দেখা হয়েছে
বর্তমান যুগের চালচিত্র তো বাস্তবিক এটাই।
অবশ্য,আদিকালের রে এমনটা ছিলো না তাই নয়।তবে,তখনকার সময়ে কিছুটা অন্যরকম ছবিই ছিলো।
রাজাকে তুষ্ট রাখতে চারপাশে স্তাবক মোসাহেবের দল সর্বদা সচেষ্ট থাকতো।কি করে কে আগে রাজার প্রিয়ভাজন হবে তার প্রতিদ্বন্দিতা চলতো।
কখনো,আয়ের খাঁ দের মতন কিছু মোসাহেবরা
এর আড়ালে ওর কথা চালান করে রীতিমতো চুক্তি কাটা তাকে বলে সে কাজটি নিপুণভাবে অতি চতুরতার সাথে দেঁতো হেসে রাজার গোচরে আনতো নিজের আখের গোছাতে।ফলে,সময় বিশেষে পারিতোষিক পেতো বৈকি।
সে যাইহোক,এখনকার সময়ের দিকে তাকালেও খুব একটা তারতম্য দেখা যায়না বরং বেশিই দৃষ্ট হয়।
দেশের শশাসনক্ষমতায় রাজারা আসেন, রাজগদিতে আসীন হতে গেলে আবশ্যক হয় জনতার অনুমোদন তথা ভোট প্রাপ্তি।তার,রে রাজা বা নেতাই গদিতে ভোটের পাল্লাভারিতে আসীন হন তাঁকে রাজক্ষমতা পাবার জন্য নানাধরনের কাঠখড় পোড়াতে হয়।লোভের টোপে গাঁথা হয় সহজ সাধারণ শ্রেণীর মানুষগুলোকে। তারাও সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে উঠেপড়ে লাগে।রাজাকে তোষামোদে খুশি করে যাহোক নিজেদের পাওনাগন্ডা বুঝে নেয়।তবে, ক্ষেত্রেবিশেষে অন্যছবিও দেখা যায়।রাজা বা নেতা ভোটের আগে জয় নিশ্চিত করতে নানারকম মিছরি কথার ফাঁদে জনতাকে টোপ দিয়ে থাকেন,কখনো ,অল্পবয়েসী যুবকদেরকে নেশার দ্রব্যাদি দিয়ে বশীভূত করে স্বার্থসিদ্ধি করতেও পিছপা হন না।যেই ভোটের ফলে গদিতে আসীন হন পরমূহুর্তেই রাজার রূপবদল ঘটে ।কাজ হাসিল হবার পরে প্রতারকদের দেখেও না চেনার ভান করেন।ওইযে,কথায় বলে,-- যেইনা পেলো গদির আরাম
নিমকি খেয়ে নিমকহারাম -- ব্যাপারটা ঠিক তেমনি হয়ে দাঁড়ায়।
রাজা বা রানী সবাই এক ঝাড়ের বাঁশ।উনিশ বিশ মাত্র।
স্বার্থের কারনেই জনতাকে ব্যবহার করা কেবল।
আবার ,একথাও অস্বীকার করা যায়না যে জনতার মাঝে কিছু মানুষ আছে চিরকাল এমন ছিলো আর থাকবেও।যে লোভের পাঁকে পড়ে এরা অনেকেই ধরাকে সরা জ্ঞান করে।তারা রাজা বা রানীর খিদমত তো খাটেই আবার বাগে পেলে মানে যদি সেই রাজা বনাম রানী তথা নেতারা কোন ভয়ানক কুকর্মে জড়িত থাকেন তাহলে সোজা কথায় তাদের থেকে ততোটা পারে নিজের লাভটা তুলে নিতেই সচেষ্ট থাকে।
ফলে,দেশে বড়ো কোন ঘটনা বা বিশৃঙ্খলা ঘটলেও তার দায় রাজাবা রানীর উপরে পড়েনা,ফাসে লোভী জনতা।
তাদের প্রত্যক্ষ মদতে দেশের কৃষি হচ্ছে,যুবসমাজ ধ্বংসের পথে এগোচ্ছে,সমাজে অরাজকতা,অনৈতিক কাজের বিস্তার বাড়ছে।
পারতপক্ষে দেখা যায় রে,রাজা বা রানীর গায়ে কাঁদা লাগেনা,সকল দুষৃকর্মের ভাগীদার হয়ে শাস্তিভোগ করে সেই জনতাই।
এতো শিক্ষা পেয়েও কিন্তু সাধারন জনগণের চোখ খুলে না।
যারজন্য দুর্ভাগা দেশকে নানা সঙ্কটের মুখে পড়তে হয়।
রাজা তথা রানীরা তো মেয়াদ ফুরালে নতুন রাজা রানীর আগমন ঘটে।মাঝপথে কলুর বলদের মতো কেটেও জনগণকেই বোকা হতে হয় ,এটাই বর্তমানের জলছবি।
0 মন্তব্যসমূহ