পোস্ট বার দেখা হয়েছে
পাণ্ডুলিপি
প্রান্তিক কবি তার ব্যর্থ পাণ্ডুলিপি জ্বেলে
রাঁধে ভাত ,
পৃথিবীর হাভাতে রা ওত পাতে হাঁড়ির ভেতর
আধপেটা কবিতার উচ্ছন্ন আকর
জড়ায়ে ধরে আগুনের আদর
উড়ে যায় পাণ্ডুলিপির স্নেহ ছাই ।
ভাতের সমার্থক
এখানে বরফের তর্জমা ছোঁয়না আগুনের আদর
শত শতাব্দীর চাদরে ভাসে না কমলালেবু রোদ
এখানে ক্ষিদের গতিবিধি জানে না যে বালক
তার মা প্রতি সন্ধ্যায় খোঁজে ভাতের সমার্থক ।
আস্তিক
আমি অপেক্ষা করেছি দারিদ্র্যের দরগায়
মৃত্যুর মন্দিরে
দেখেছি বিগ্রহের আড়ালে গ্রহের ফের ,
ক্ষিদের সম্মেলনে
দেখেছি
জান্নাতি নেশায় ধর্মের গেলাসে
বুঁদ বৈভব
ধার্মিক জিরাফের ।
কামড়
এভাবেই কত কবিতা শেষ হয় রোজ
ইহকাল ভেসে যায় নুন পান্তার আশায়
জাগরুক ক্ষিদে জেগে থাকে ,
একফালি চাঁদ দেখে উন্মাদ কবি
আধখানা রুটিতে বসায় কাব্যিক কামড় ।
আর্টিস্ট
আমাকে আরও একবার আঁকো হুসেন
বক্ষ নিতম্বে যে ভাবে তীক্ষ্ণ তুলির টান দাও
সেভাবেই উগরে আনো আমার হাতের শিরা নখের ময়লা
অভুক্ত প্রেত চোখ ।
মহামারীর মহান রঙে তুলি চুবিয়ে টান মারো
পেটের বিভাজিকায়
শূন্য দ্বীপের পরন্ত পাকস্থলীর খাঁজে ছিটিয়ে দাও ভাত রঙ ।
0 মন্তব্যসমূহ