পোস্ট বার দেখা হয়েছে
কবে
শৌভিক গাঙ্গুলী
তুমি আসবে বলেই-
ছেড়া চপ্পলে পরিযায়ী শিশুর রক্ত, সাঁওতাল মজুরের রক্তে শিশুর মুখে 'অন্ন',
তুমি আসবে বলেই জগন্নাথের বাড়ি জ্বলে, ইয়াসিনের ভিটে ভাসে রক্তে!
তুমি আসবে বলেই-
অসহায় শিশুর শিক্ষা, মায়ের ইজ্জতের দামে!
পৃথিবীর ইতিহাস, খোঁজে চরাবাস।
লেলিহান শিখা, পায় নাকো দিশা, গরীবের সর্বনাশ।
কথা ছিল তুমি আসবে।
কবে?
**************"
রাস্তা
সৌমেন্দ্র দত্ত ভৌমিক
‘রাস্তা দাও, রাস্তা দাও’-
চারপাশে কান খাড়া করে শোনো
কাকুতি-মিনতি আর আত্মচিৎকার,
একথা স্মরণে রেখে
এগিয়ে চলার মুখে
আলিঙ্গনে মুগ্ধ প্রবল বাধার।
বাঁয়ে খোলা, ডাঁয়ে খোলা
পূবে-পশ্চিমেও পাবে খোলা,
রাস্তায় চলতে শিখলে
পথও পেতে দেবে বুক।
দিনেরাতে প্রতিবেশী ঘুম ভেঙে
পাবে দেখতে,
জনমানুষজন শিখেছে চলতে
রাস্তায় শ্রীচরণ ফেলে ফেলে।
*****************
উচ্চতার অভিলাষে
সুতপা ব্যানার্জী(রায়)
প্রতিবিম্ব শুধুই কি ধরা থাকে আয়নায়?
আলোকোজ্জ্বল সন্ধ্যায় দুঃখের রাগিনী।
হিমশীতল সম্পর্কেও উষ্ণতার আবেগ,
কেঁপে কেঁপেও ফুটে ওঠে জীবনের জলছবি,
শার্সির আরশিতে মনের যাবতীয় দহন,
উলম্ফনের অহমিকা চূর্ণ করে ভেঙে পড়া,
নেশাগ্রস্থের মত সম্পর্ক সুখের অনুসন্ধান,
একা হওয়ার ভয়ে কৃত্রিম ঘেরাটোপ,
শুষ্ক হৃদয়ে ভিন্ন আর্দ্রতার প্রয়াস,
একবিংশতির আজব ঘোরলাগা কাটিয়ে,
নিত্যনতুন প্রেমালাপের রসায়নের বিশ্রামে,
হঠাৎ ব্যস্ততায় পুরনো সবকিছু ভুলে যাওয়া,
এ এক অন্য সড়ক নতুন উচ্চতার অভিলাষে।
**************
যদি ভালোবাসতে চাও
পারিজাত ঘোষ
যদি ভালোবাসতে চাও, ছড়িয়ে দাও একমুঠো রোদ্দুর,
পদ্মপাতায় ভোরের শিশিরে দেখবে সেই ভালোলাগা।
কুয়াশা ঘেরা ভোরের আকাশ,
যদি লুকিয়ে রাখে
তবে অপেক্ষা কর, শুনতে পাবে পাখির কূজন।
পৌষালী সকালে পূবালী হাওয়া
বলতে চায় কিছু, দিতে চায় হিমেল পরশ,
পরিযায়ী মন ছুটে যেতে চায় কোনো অচিনপুরে,
আনমনা আকাশে উঁকি দেয় সোনা রোদের ওম,
যদি ভালোবাসতে চাও, ছড়িয়ে দাও একমুঠো রোদ্দুর।
পাতাঝরা বনানীর বুকে কান পেতে রও,
শুনতে পাবে ঝরে পড়া পাতাদের কলরব,
শুকিয়ে যাওয়া পাতাদের মিতালী বলে দিয়ে যায়
নব পল্লবের আগমনী সংবাদ,
হারানো অতীত বরণ করে নিতে চায় নতুনকে,
যদি ভালোবাসতে চাও, ছড়িয়ে দাও একমুঠো রোদ্দুর।
নবান্নের আহ্বানে সোনালী ধানের আঘ্রাণ,
জানিয়ে দিয়ে যায় তার উপস্থিতি,
উপছে পড়া গোলা, ধূলায় পড়ে থাকা ধানের শিষ
শোনায় সোনালী মনের উচ্ছ্বাস,
যদি ভালোবাসতে চাও, ছড়িয়ে দাও একমুঠো রোদ্দুর।
*******************"**
"রোজ ডে"
রম্যরচনা
অরবিন্দ সরকার
খুব সকালবেলা। ঠাকুরমা উঠোনে ঝাড়ু জল দিচ্ছেন, আর সবাই বাড়িতে শুয়ে আছে।
ঠাকুরমার মোবাইল বেজে উঠলো। ঠাকুরমার সকালের ফোন শুনে মনে ভয় হচ্ছে! কোনো দুঃসংবাদ নাকি দাঁড়িয়ে রয়েছে।
ঠাকুরমা ফোন ধরলেন! ওপারে ভেসে এলো আই লাভ ইউ, হ্যাপি রোজ ডে!
ঠাকুরমা এবার বললেন - ওলো নাম্বার ঠিকঠাক টিপতে জানো না আর আই লাভ ইউ বলছো? ঢিল ঠিক জায়গায় মারবি তবেই তো?
ওপার থেকে মেয়েলি কণ্ঠস্বর ঠাকুমা তুমি যেই হও না কেন আর যেনো এই ফোনে ফোন করে কিছু বোলো না।এটা বাবার ফোন। আমার ফোন নেই। বাবা এখনও কিনে দেয়নি। বড়ো হলে দেবে বলেছে?
ঠাকুরমা- তুমি তো বড়ো হয়েই গেছো। আই লাভ ইউ বলছো? নিশ্চয়ই লাভ পেয়েছো বলো?
আমাদের সময় বাপ ঠাকুর্দা তারা দেখে বিয়ে দিতেন।প্রেম পিরিতি বিয়ের পর। ভাঙতো না ঘর।উলু দিয়ে বিয়ে হতো,হরিবোলে ছাড়তো। এ জোড়া লেগেই থাকতো। এখন ভালোবাসা নেই শুধু শরীর! বিয়ের চেয়ে ডিভোর্স বেশি। এক দুই তিন করে করে বিয়ে হচ্ছে। কতো সংসার যে করছে ইয়াত্তা নেই। বিয়ে এখন বারবার। সংসার ছারখার। ছেলে মেয়ে ভাগাভাগি। এ সর্বনেশে ব্যাপার। বাবা মা অনেক, স্বামীও অনেক।
আমাদের সময় বিয়ে হতো পাল্কিতে,হস্তবন্ধন, গিঁট বন্ধন, শুভদৃষ্টি, মালাবদল, সিঁদুর দানের মধ্য দিয়ে।শুভ দৃষ্টিতে প্রথম চোখে চোখ।আর এখন মোবাইলে হ্যালো তো চলো? আমরা প্রেমপত্তর লিখতাম বিয়ের পরে, লুকিয়ে চুরিয়ে পড়তাম।আর এখন খোলাখুলি। ঘোমটায় লজ্জা ঢাকতাম।আর এখন যতো বেহায়াপনা। শাড়ি পরেই না। শরীর ঢাকতেই জানেনা। কতো অঙ্গ ভঙ্গি শরীর দেখানোর জন্য। গোলাপ গাছে জল ও সার দিয়ে পরিচর্যা করতাম। বাগানে ফুল ফুটে শোভা বিরাজ করতো।এখন গোলাপের মুণ্ডু ছিঁড়ে প্রেম নিবেদন? ভ্যালেন্টাইন! আমাদের সময় এই আইনটাইন ছিলো না। যতো সব আদিখ্যেতা, বিদেশি অনুকরণ! আর সানাইয়ের সুর ঢোলের আওয়াজ শোনা যাইনা।এখন পার্টি-- সব মাটি! সব ঘাঁটাঘাঁটি! ছিঃ সমুত্তুর মেয়েরা নাচানাচি করছে ধেয়ধেয় করে! মদ, সিগারেট পথ্য প্রেমের। সব পুড়ে ছাই হয়ে যাবি। লেখাপড়া , গানবাজনা,ভজন রামপ্রসাদী কীর্তন নাই শুধু শুনি বধুহত্যা, নির্যাতন,অথবা ছাড়াছাড়ির সংকীর্তন! আধুনিক - আমরা কি আদিম ছিলাম? এরা পূজা করে, তামাশা করে, কলাবৌয়ের ঘোমটা টানা দেখেনা?
এখন সরাসরি রান্না ঘরে! সবজি লাগানো, সবজি তোলা,কাটা বাঁটা , রান্না না শিখেই বিছানায় খাওয়া দাওয়া।
আমাদের সময় হস্তবন্ধন, গিঁট বন্ধন, শুভদৃষ্টি, মালাবদল, সিঁদুর দান , তারপর শাড়ির আঁচল টেনে ঘোমটা? শুভদৃষ্টিতে প্রথম দেখা, ফুল শয্যায় বাসরঘরে আলাপ ও প্রেম নিবেদন।আর এখন ওসবের বালায় নাই। বুড়ো কি ছোঁড়া না দেখেই বাড়ি ত্যাগ ফেসবুকের বন্ধু! বুকের বা হৃদয়ের নয়?
দেখবি মজা কেমন? কতো ধানে কতো চাল। দেখতে দেখতে আমার চোখের ছানি পড়ে গেলো। হে ভগবান কোলে তুলে নাও।মা গঙ্গা তোমার বুকে জায়গা দাও মা।
রোজ রোজ ডে হয় ওখানে একটা মরণ ডে থাকা উচিত।
তোর বাপকে বলতে আমার দায় কেঁদেছে? তোর বাপ্ বলবে-- তোমার খায় না পরে ও? ঘরের খেয়ে পরের মোষ তাড়িয়ে কি লাভ?
তুই নিশ্চিন্তে থাক্ - আমি কাউকে কিছু বলবো না। কেউ যদি মরতে চাই তাহলে এগিয়ে দেওয়ায় ভালো। মিছামিছি আলো জ্বালিয়ে কি জ্ঞানের আলো পাওয়া যায়। জন্ম মৃত্যু বিয়ে এসব ভগবানের দেওয়া। তোর কপালে যা লেখা আছে তাই হবে? তুই একটা নিজের ফোন কিনে নে? অনলাইনে চাক্ষুষ দেখ্ তারপর তার বাড়িতে গিয়ে তার বাপ মায়ের সঙ্গে কথা বলে পাকাপাকি কর্। তারপর বসন্তের হাওয়ায় ওড়না উড়িয়ে মরুবিজয়ের কেতন ওড়া। শুষ্ক মরুভূমি উর্বর চাষযোগ্য হোক।
*****************
ফ্যান্টাসি
(অণুগল্প)
জয়ন্ত অধিকারি
"সোনাআআআ...সোনা ! কোথায় গেলে গো ? তোমাকে দেখতে পাচ্ছি না কেন ? "
"এ এই তো। এই তো আমি। আমি তোমাকে দেখছিলাম গো। আমার রুমি ডার্লিংয়ের কাছ থেকে আমি কি কোথাও যেতে পারি ? তোমার ওই বুকের খাঁজে আমি হারিয়ে যাচ্ছি গো। আর একটু দেখাও না গো ! প্লিজ ডার্লিং। "
"আরও ? সত্যি বলছ ? " খিলখিল করে হেসে ওঠে রুমি। একটু পিছিয়ে দাঁড়ায় ও। ওর সারাটা শরীর জুড়ে তখন হিল্লোল, গানের তালে নেচে চলেছে স্বল্পবসনা শরীরটা।
"আঃ ! আঃআঃ...র রু রুমি...ওই নাইটড্রেসটা সরাবে না ? আমি, আমি তোমাকে যে দেখতে চাই...কোনও কিছু ছাড়া। এইসব পোশাক কেন পরে আছ ? প্লিজ ডার্লিং। "
"তাআআ...ই ? একটা কথা বলব হানি ? তুমিও ভীষওওওওওওন হ্যান্ডসাম। আমি তো আমার সারা শরীরে তোমাকে, শুধু তোমাকে অনুভব করছি।" হাসি ফুটিয়ে রুমি বাঁ দিকের স্ট্র্যাপটা নামিয়ে দেয়। কাঁধ থেকে। নিচে। ভেতরের ঘন সবুজ স্বচ্ছ লেসের কাজ করা অন্তর্বাস ধরা দেয় বিপুলের চোখের সামনে। স্তনবৃন্ত কঠিন হয়ে ফুটে উঠেছে অন্তর্বাসের মাঝে। উন্নত সুডৌল স্তনের ওপরের দিকটা হয়েছে অনাবৃত।
স্ক্রিনের ওপরে।
ষাটোর্দ্ধ বিপুলের মোবাইলে একটা বিজ্ঞাপন এসেছিল। সন্ধেতে। আপনি কি একা ? কিছু বিশেষে ভাল মুহূর্ত কাটাতে চাইছেন আপনার মত - আর একজন একাকী নারীর সাথে ? সারাটা রাত ? তাহলে আজই আমাদের নেটওয়ার্কে যোগ দিন। বেছে নিন আপনার মনের মত সঙ্গীকে। ঘন্টায় মাত্র দেড়শো টাকার বিনিমিয়ে। পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন থাকবে।
বিপুল ওখানে দেওয়া লিংকে ক্লিক করে। রাতে। সাড়ে এগারোটার সময়। তারপরেই, শুরু হয় রুমির সাথে বার্তালাপ। ভিডিওতে। ও নিজেও এখন বসে আছে, ক্যামেরার সামনে। সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে।
স্ক্রিনের ওপরে রুমিকে দেখে কেঁপে ওঠে বিপুল। ডান হাতের মুঠোর মধ্যে উত্থিত দার্ঢ্য ধরে থাকে ও। দু চোখ দিয়ে ঝরে পড়ছে কামনা; সারাটা শরীর জুড়ে নামছে সুখের আবেশ। কপালে জমেছে ঘাম। কোনও রকমে বলে, "আমি, আমি তোমাকে আরও কাছ থেকে দেখতে চাই সোনা। খুলে ফেল সব কিছু। আমি যদি তোমাকে আমার কাছে পেতাম..."
রুমি আবার পিছিয়ে যায় কিছুটা। সারাটা শরীর ভেসে ওঠে স্ক্রিনের ওপরেও। নিজের সারাটা শরীরে হাত বোলাতে থাকে ও। মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে শীৎকারের আওয়াজ। উত্তেজিত হয়ে ওঠে বিপুল। নিজের পুরুষাঙ্গের ওপরে ডানহাতের মুঠো ওঠানামা করতে থাকে, ক্রমাগত। হঠাৎ স্ক্রিনটা অন্ধকার হয়ে যায়।
মেসেজ ফুটে ওঠে স্ক্রিনের ওপরে, "পাঁচ মিনিটের মধ্যে তিন লাখ টাকা না দিলে, আপনার নগ্ন ভিডিওটি আমরা আপলোড করে দেব।" একটা টাইমার শুরু হয়ে যায় স্ক্রিনের ওপরে।
বিপুলের সারাটা পৃথিবী দুলে ওঠে। সবকিছু অন্ধকার হতে শুরু করে। চোখের সামনে থেকে।
***********
একটু ভেবে দেখো
মনোজ কুমার রথ ( শ্রীমান অকুলীন )
ঢের দিলে!
আর একটু দিলে উজ্জ্বল হতো চাঁদ...
পুরোটা দিলে তো ঠিক ওদের মতো পূর্ণ...... চন্দ্রিমা।
আশায় ছিলাম,
ভালবাসায় ছিলাম,
ভাষায় প্রকাশ করিনি শুধু...
কিন্তু সাম্প্রতিকতম বিগত দিনে
তুমি নিজের মুখে যা শোনালে!
পুরোই আশাহত! ওগো...
এতে কফ সর্দির রোগও সারবে না,
আমার তো ধরা পড়েছে হার্টের ব্যারাম!
খুব শিগগির পেসমেকার বসাতে বলেছে ডাক্তার!!
সাতটা তারে সুর বেঁধে শুরু করা জীবন,
আলোর ঝরনায় ভাসবে ভাবে নৈমিত্তিক যাপন,
খুশির ডানা মেলবে বলে এখনও রোজকার স্বপন...
যদি একান্তই আমার কথা না শোনো,
ওই ওদের কথা শোনো...
বট- অশত্থ- আম - জাম- কাঁঠাল- অর্জুন- শিরিষ-
ছাতিম- পলাশ ......
এমনকি ঘেঁটু- আকন্দ- দূর্বা...
যারা স্নান করবে ভেবেছিল
তোমার ঢেলে দেওয়া চন্দ্রিমায়...
ওদের কথা একটু ভেবে দেখো,
আমার কথাও...... ওগো....
********************
জীবনের দেহরক্ষী মৃত্যু নিজেই
অসীম দাস
অদাহ্য মৃত্যুর ধৈর্য্যকে সদর্পে বলি
-- এসো আগে জীবনের দৈর্ঘ্য মেপে আসি ।
ভালবাসলেই মাত্র এক ঘন্টার আয়ু
দীর্ঘ ষাট মিনিটেও ফুরোয় না ।
একটি অভূতপূর্ব ব্যাকভলির ক্ষণিক দৃশ্য
হাজার হাজার বার পোস্ট গলে'
শতাব্দীর শ্বাস হয়ে যায় !
ঠিক সাড়ে তিন মিনিটের গান
লক্ষ কন্ঠের একান্ত দোসর হলে'
আদি গায়ক গায়িকার পরিধির সামনে
এভারেস্ট জয়ী জ্যামিতিও শম্বুক বুদবুদ !
আসলে ,
বিস্তীর্ণ প্রতিভার অগণন গনগনে দাগের দাপটে
মৃত্যু নিজেই নাতিশীতোষ্ণ রথে
আবহমান জীবনের দেহরক্ষী হয়ে
পত্ পত্ পিছু পিছু যান !
****************
"পত্র্যকাব্য "
কৌশিক গাঙ্গুলি
জীবনানন্দ দাশ সমীপেষু ,
আপনাকে চিঠি লিখি , উত্তর না পেয়ে আবার লিখতে বসি , অনেকদিন আর বনলতা সেনের সঙ্গে দেখা হয়না , আমি ওনার জন্য পায়রার ঝরা পালক রেখে দিয়েছি জার্নালের মাঝের পাতায় । শ্রদ্ধেয় এখনও সবুজ ঘাস , ফিঙে এমনকি দুরন্ত চিল অথবা ছুটন্ত হরিণ দেখলে বড্ড আপনার কথা মনে পড়ে হে রূপসী বাংলার কবি ....
আচ্ছা সংসারে অসুখী হলে কি অনিদ্রা কিংবা ট্রাম লাইন বেছে নিতে হবে ? আর এদিকে যে এতগুলো বছর ধরে বিশ্বসংসার আপনার লেখা নিয়ে উপাসনা চালাচ্ছে নিভৃতে - সাতটি তারার তিমিরের ওপারে এই ভক্তি আর ভালোবাসা খুঁজে কি পেয়েছেন মান্যবরেষু কবি জীবনানন্দ দাশ ?
****"**************
প্রেমময় দিন
শিবানী গুপ্ত
উতলা মনে অনুরাগ সনে
প্রেমের বাঁশরী বাজে,
বিশ্বভুবনে হৃদয়ে মননে
পিরিতির ছোঁয়া রাজে।
প্রেমিক প্রেমিকা প্রেমের সাধিকা
লাল গোলাপে লয়ে,
উচাটন আঁখি ভালোবাসা মাখি
মগ্ন হৃদয় জয়ে।
কাব্যে কবিতায় ছন্দিত গাঁথায়
প্রেমের কথারা সাজে,
কবির লিখনী অমিয় লাবনী
খুশির পশরা মাঝে।
প্রেমে করে জয় সব বাঁধা ভয়
আপন সুবাসে হিয়ে,
ভ্যালেনটাইন মরে ইতিহাসে স্মরে
শ্রদ্ধায় তাহারে নিয়ে।
প্রেমময় দিন বুকে লয়ে ঋণ
ভালোবাসা দান করে,
আপামর জনে মধু কথা সনে
প্রেমের বারতা ভরে।
যার তরে দামী এ দিবস যামী
ধরা মাঝে রাখে খ্যাতি,
সময় ধারাতে সব হৃদি পাতে
জ্বালায় প্রেমের বাতি।

0 মন্তব্যসমূহ