পোস্ট বার দেখা হয়েছে
প্রিয় গ্র্যাম
চুরাশি লক্ষ যোনি ভ্রমণ করে.....
এ বাংলার প্রাঙ্গনে এ মাঠের পরে
শিশুর শিশ্নে ভোরের শিশিরে
বসবো আবার তোমার কোলে গিয়া;
মনে পড়বে কি এ সুখোছায়ার কথা?
বড় মধুর যে স্মৃতি জাগানিয়া।
আমার রোপিত এই সে চারা বৃক্ষ
বিশাল মস্তক নেড়ে অনন্ত আকাশে
হয়তো সাই দেবে নতুন উদ্ভাসে।
হয়তো ঝরে পড়বে কত কত কুসুম সংকাশ,
আজকের মতো আমার শরীরে মৃতপ্রায় ঘাস।
এ সোনা রোদ্দুর আবার পেলে শুয়ে যাবো
সেদিন মাথায় নিয়েও ইটের বালিশ।
বন্ধু তোরাও সেদিন চলে আসিছ,সঙ্গে থেকে দেখে নিস।
===
তীব্র তৃষ্ণায়
দূরাকাশও স্রোতস্বিনী নদীর কাছে এসে
যখন পান করে জলধারা, তীব্র তৃষ্ণায়,
মনেহয় এ যেন, রাজা দ্বি রাজ ভিখারি বেশে
অতৃপ্ত হৃদয়ে কোন প্রেম ভিক্ষা চাই!
সে আকাশে মেঘের আর কোন কারুকার্য নেই ;
স্বর্ণ-কচিত তারার মুকুট মূল্যহীন,
সীমাহীন হৃদয় ভালোবেসে মরেছে যেই,
পথ প্রান্তরে,দূর দিগন্তে হয়েছে লীন।
হয়তো চাঁদের মুখে চুনকালি মেখে
নীলাকাশ,ডেকে আনবে অবশ চেতনায় সর্বনাশ,
হয়তো আভিজাত্যের পোশাক খুলে রেখে
স্বগৌরবের বেশবাস ভুলে প্রেমের জন্য হবে ইতিহাস।

0 মন্তব্যসমূহ