পোস্ট বার দেখা হয়েছে
ঝোলাবুড়ি
নীলাঞ্জনা ভৌমিক
একটা মেয়ে বয়স মাত্র দশ
গরীব ঘরে জন্ম তার ,
বিয়ের নামে ঐ বয়সেই
বাড়ি থেকে করল বার।
রেলগাড়ি চলছে ঝমাঝম
মন তার খুশিতে রমরম,
দুলে দুলে যাচ্ছে সে দূরে
মনে আজ কতো উদ্দাম।
কোথায় যাচ্ছে জানা নেই
সংসার কি বোঝে না -
বরের সাথে থাকা কি
তাও সে জানে না।
গঙ্গা দিয়ে জল বয়ে যায়
ত্রিশ বছর হয়ে গেল পার ,
আবার তাকে দেখা গেল
খুকি সে এখন নয় আর।
বাড়ি বাড়ি কাজ করে
পেট চালানোর দরকার ,
কেউ তার পাশে নেই
একাই দিন করে পার।
মন্দিরে মন্দিরে খায়
হাতে ঝোলা প্রায় চার ,
ভিক্ষাও করে সে -
শরীরে বয়সের ভার।
রাস্তায় কেউ ঢিল ছোড়ে ,
কেউ বলে পাগলী ,
কেউ বলে ঐ দেখো
যাচ্ছে ঝোলাবুড়ি।
খুড়োর কাণ্ড
সৌম্য কর
খুড়ো মশাই বেজায় পাগল,
মাথায় খোলা ছাতা,
রোদ দুপুরে খুঁজছে মাঠে
উড়ুক্কু এক পাতা।
পাতা নাকি উড়তে জানে
পাখির মতো ঠিক,
তাই তো খুড়ো ছুটছে কেবল
ভুলে দশটা দিক!
হঠাৎ দেখে মস্ত বাঁদর
খাচ্ছে বসে কলা,
খুড়ো বলে, "দাও তো বাপু,
শুকিয়ে গেছে গলা।"
বাঁদর বলে, "কলা খাবে?
তাহলে দাও আমাকে ছাতা!"
খুড়ো বলে, "তার চেয়ে ভাই,
খুঁজতে থাকি পাতা।"
0 মন্তব্যসমূহ