প্রয়াণ দিবসে সুকুমার রায়।। পর্ব— ২




পোস্ট বার দেখা হয়েছে

ঝোলাবুড়ি

নীলাঞ্জনা ভৌমিক


একটা মেয়ে বয়স মাত্র দশ

গরীব ঘরে জন্ম তার ,

বিয়ের নামে ঐ বয়সেই

বাড়ি থেকে করল বার।

রেলগাড়ি চলছে ঝমাঝম

মন তার খুশিতে রমরম,

দুলে দুলে যাচ্ছে সে দূরে 

মনে আজ কতো উদ্দাম।

কোথায় যাচ্ছে জানা নেই

সংসার কি বোঝে না -

বরের সাথে থাকা কি

তাও সে জানে না।

গঙ্গা দিয়ে জল বয়ে যায় 

ত্রিশ বছর হয়ে গেল পার ,

আবার তাকে দেখা গেল

খুকি সে এখন নয় আর।

বাড়ি বাড়ি কাজ করে

পেট চালানোর দরকার ,

কেউ তার পাশে নেই

একাই দিন করে পার।

মন্দিরে মন্দিরে খায়

হাতে ঝোলা প্রায় চার ,

ভিক্ষাও করে সে -

শরীরে বয়সের ভার।

রাস্তায় কেউ ঢিল ছোড়ে ,

কেউ বলে পাগলী ,

কেউ বলে ঐ দেখো

যাচ্ছে ঝোলাবুড়ি।




খুড়োর কাণ্ড

সৌম্য কর 


​খুড়ো মশাই বেজায় পাগল,

মাথায় খোলা ছাতা,

রোদ দুপুরে খুঁজছে মাঠে

উড়ুক্কু এক পাতা।


​পাতা নাকি উড়তে জানে

পাখির মতো ঠিক,

তাই তো খুড়ো ছুটছে কেবল

ভুলে দশটা দিক!


​হঠাৎ দেখে মস্ত বাঁদর

খাচ্ছে বসে কলা,

খুড়ো বলে, "দাও তো বাপু,

শুকিয়ে গেছে গলা।"


​বাঁদর বলে, "কলা খাবে?

তাহলে দাও আমাকে ছাতা!"

খুড়ো বলে, "তার চেয়ে ভাই,

খুঁজতে থাকি পাতা।"

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ