প্রয়াণ দিবসে সুকুমার রায়।। পর্ব— ৪




পোস্ট বার দেখা হয়েছে

হয়তো আবার 

মৃদুলা গরাং (সমাপ্তিকা)


আবার আসবে দুচোখে ঘুম জড়িয়ে 

আবার জমিতে বীজ দেবে ছড়িয়ে 

আবার প্রেম আসবে গদগদ 

দ্যুলোক আবার মেঘ সাজাবে ভরিয়ে 


প্রকারান্তরে ফুটবে আবার বুলি 

আবার শাড়ি -পাড় ছুঁয়ে যাবে শিশির 

আবার কারাও বসবে অনশন 

কোনো মা আবার কাঁদবে আজীবন 


গরমে , বরফ পড়বে আবার গ্লাসে 

একদল আবার ভয় পাবে গুমো ত্রাসে 

তাসের দেশের প্রজার মত আবার 

রোজনামচারা ছুটবে  ট্রেনে বাসে 


আবার ভয়ের চিত্র আঁকবে শিল্পী 

ভয় এর মাত্রা কমবে যখন ক্রমে 

ভীতুদের দল হবে যত ভিড়ে ভরা 

ভয়ের পসরা ততই উঠবে জমে 


আবার উঠবে জয়ধ্বনি সমস্বরে 

একই পতাকা ঝুলবে পাড়ায় পাড়ায় 

বিপদভেজা হাড়গোড় ভাঙা জীবন

এভাবেই নিজেদের বিপদ আরো বাড়ায় 


আবার মাইক আর শব্দ চোখাচোখা 

মগজধোলাই সেই পুরনো একরোখা 

উঁচু চেয়ার দেখে রাখে সবকিছু 

সব ইতিহাস রয় চেয়ারেই লেখা 




মনখারাপের কাব্য 

শান্তা সরকার


মনখারাপও কাব্য কথা জানে

শিউলি তলায় গল্প ঝরা ফুলের 

এলিজিতে শোকও কাব্য বোনে

শোকগাথায় ঢেউ লাগে যে সুরের।


হারিয়ে যাওয়া পথের দুঃখ কথা 

ঘাসের বুকে গন্ধ লুকোয় ফুটে

না বলা দিন রাতের সব ব্যথা 

নদীর বুকে জোয়ার হয়ে ছোটে 



স্বপ্ন ছেঁড়া করুণ আলোর রেখা

সকালটাকে মলিন করে রাখে 

দিনের শেষে সন্ধ্যাতারা একা

সঙ্গী হয়ে সাথে সাথে থাকে।


দুঃখরা সব শেষ বিকেলের আলো

নির্ভয়ে যায় রাতের কোলে ভেসে 

আঁধার ঘরে প্রদীপ জ্বেলে দিলে

কাব্য রানি প্রবেশ করেন হেসে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ