পোস্ট বার দেখা হয়েছে
হে গণমানুষের কবি
সঞ্জয় বৈরাগ্য
হে কিশোর কবি,
'ছাড়পত্র', 'মিঠেকড়া', 'অভিযান',
'ঘুম নেই', 'হরতাল', 'গীতিগুচ্ছ' ইত্যাদি অসংখ্য সাহিত্য-সৃষ্টিতে স্বল্প সময়ের জীবনে নিজ প্রতিভা,
মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছিলে তুমি।
হে গণমানুষের কবি,
অসহায়-নিপীড়িত সর্বহারা মানুষের সুখ-দুঃখ ফুটে উঠেছিল তোমার কবিতায়,
তোমার সাম্যবাদী রচনা আজও সাহসী ও উজ্জীবিত করে তোলে এ মন'কে।
হে বিপ্লবী ও স্বাধীনতার আপোসহীন সংগ্রামী,
একাধারে বৈপ্লবিক কর্মকাণ্ড, স্বাধীনতার আপোসহীন সংগ্রাম এবং
দেশ ও দশের স্বার্থে অত্যধিক পরিশ্রম,
শরীর সইল না আর ....!
মাত্র একুশেই গেলে চলে, আমাদের ছেড়ে
অজানা ঐ দূর দেশে ।
হে প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি,
শুভ জন্মদিনে, তোমায় যে নমি।
=====
কবি সুকান্ত- এর প্রতি
মেখলা ঘোষ দস্তিদার
চারিদিকে শুধু কাতর আহ্বান
মিথ্যার কোলাহলে নেই তো মুক্তি
সত্যের জন্য হোক মরণের জয়গান,
বৈষম্যের আঁধার গাঢ় থেকে গাঢ়
শোষণে- আচরণে দিক হারা সব-
আর্তনাদে হাহাকার প্রাণ খোঁজে
সিঁড়ি ভাঙা পথে হৃদয়ে চেতনে তোমায়-
অনুরাগী সমাজ- সময়- মন,
বিদ্রোহী হতে চেয়ে বাসনা দেখে-
জীবন্ত মায়াবী মুখ,
শব্দে-বাক্যে জ্বেলে রাখে
বিষম চাপ চাপ অন্ধকারে বিপ্লব - সুখ,
হে মহামানব,হে বিপ্লবী
তারুণ্যের অগ্নিসম তেজে-
এসো ফিরে একবার সকলের সম্মুখে -
সুতীব্র চিৎকারে ফোটাতে মুক্তি - মুক্ত ফুল।
=====
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য স্মরণে
কল্যানী মন্ডল
ওগো কবি সুকান্ত সন্ধ্যা নামাও
নিশি চাঁদটার বুকে,
কলঙ্কিনী নামে পরিচিত আজও
নেই সে সুখে।
ঝলসে যাওয়া রুটির খোঁজে
ছোটে যারা এ দেশ থেকে অন্যদেশ,
সন্ধ্যার নীড়ে একাকী জাগে
অবশিষ্ট একটু খাবারের আশে।
আঠারো বছর বয়স সে যে বড্ড ভয়ঙ্কর,
ভবিষ্যতের পরিকল্পনায় বাঁধতে হয় ছক।
দুঃসাহসিক বুকে কাটাতে হয় ভিড়ুতার জড়।
গরিব দুঃখী মানুষের ঘরে ঘরে জ্বালিয়েছিলে যে আলো,
মুক্ত মন বিচ্ছিনতা কাটিয়ে ঘুচিয়ে
ফেলো সব জড়তার কালো।
অভিমান অভিযোগ রেখে গেছো কবি এই বাংলার বুকে,
প্রতিবাদী হয়ে উঠুক দূর্বল শ্রেনী
দিক আজ হব রুখে।
দুঃসাহসিক স্পর্ধা পড়ি তোমার কবিতায়,
তুমি বিনে কবি হৃদয় ভরে থাকে শুন্যতায়।
আজ শতবর্ষে কবি সুকান্ত নতমস্তকে প্রনাম জানাই।

0 মন্তব্যসমূহ