পোস্ট বার দেখা হয়েছে
বর্ষা উৎসব
যখন বৃষ্টি শুরু হলো তখন চারদিকে বেশ অন্ধকার। সন্ধে কি রাত ঠিক বোঝা যাচ্ছিল না। বিকেলও হতে পারে। দুপুর হলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। আসলে সময়টা ঠিক পড়া যাচ্ছিল না। ছাদে পাথরের বাটি পেতে দিয়ে এলো ঠাকুমা। বৃষ্টির জলে ঠাকুরের পুজো হবে। বুড়ির যুক্তি বৃষ্টি তো তারই। তাই গঙ্গা জলেই গঙ্গা পুজো হোক। মা দুপুরের ভাতের হাঁড়িতে কিছু হলুদ গুলে দিল। ঢেলে দিল আরও এক মগ জল যাতে গড়িয়ে গড়িয়ে পরিবারের সব থালাগুলোকে ছুঁয়ে ফেলতে পারে। ঘুণধরা দেওয়ালের দিকে না তাকিয়ে ছেলে ছাতা মাথায় বেরিয়ে পড়ল তেপান্তরের মাঠ। একটু পরেই হয়ত কালো ছাদের নিচে আরও একটা মাথা এসে জুড়ে যাবে। ফুটবল হাতে উধাও হলো জনা দশেক বছর পনের জলকাদা মাঠে ভূত সাজবে বলে। ঘন্টা খানেক আগেই উঠতি কবি জানলার ধারে পাথর হয়ে গেছে। দিন রাত কিছুই পড়া যাচ্ছিল না। শুধুমাত্র একটা গাছ কিছু বৃষ্টিপাতা একমনে মুখস্থ করে যাচ্ছিল।

2 মন্তব্যসমূহ
দুর্দান্ত প্রকাশ
উত্তরমুছুনএকরাশ মুগ্ধতা
দুর্দান্ত লেখা কবি
উত্তরমুছুন