জন্মাষ্টমীর কবিতা




পোস্ট বার দেখা হয়েছে

রঙীন ঈশ্বর!

রাজা সাহেব মুখোপাধ্যায় 


বহুরূপী ঈশ্বর সাজে,

না ঈশ্বর স্বয়ং বহুরূপী?

---প্রশ্নটা ভাবিয়ে তুলছে কি

আয়নার সামনের মুখটাকে!

জন্মাষ্টমীর দিন মুখ ভর্তি নীল 

মেখে নীলাভ রক্তের মতি 

বদলাতে চাওয়া,এতই সোজা!

যে ছন্দে রোজ হাঁটাহাঁটি,

তাকে রং মাখিয়ে দিলেই,

হেরফের হয়না চলন,বলন।

তবু একদিনের জন্য ঈশ্বরের সাজ বেশ মজাদার,

যখন কেউ মাথা হেঁট করে ভক্তিতে;

তখন আসল ঈশ্বর হয়তো

বহুরূপী হয়ে আনত হয়েছে

ওই রঙীন ঈশ্বরের কাছে!

=====

নিভে যাওয়া হ্যারিকেন

কাকলী দাশগুপ্ত


এক ফালি চাঁদের আলোয় বেঁচে থাকা—

রোজ সকালে ক্ষিধের চাবুকে পিঠ টানটান শৈশব,

অক্ষরের আঁকিবুঁকি ভুলে যাওয়া ধুলোমাখা সেই পথ,

ভোটের বাজারে চড়া সুরের স্লোগান—

মিথ্যে আশার ফসল ফলায় খরা জমিতে।

বুকের ভেতর জমে থাকা এক আকাশ না-বলা কথা,

ছেঁড়া খাতার পাতায় জমেছে শুধু অবহেলার ধুলো।

সময়ের ঝড়-তুফানে পুড়ে গেছে চেনা সেই ডালপালা,

তবুও বুক বেঁধে যারা আশায় বাঁচে চাতকের মতো—

কোন দিন কোন মেঘ এনে দেবে দু ফোঁটা জল?

"বিশ্বাসে মিলায় বস্তু" এ তো কেবলই কথার কথা,

এখানে রাখালেরা বাঁশি ভুলে চেয়ে আছে—

শুধু এক মুঠো অন্নের আশায়।

====

এক চন্দ্রবিন্দু জীবদ্দশায় - 

দৈনিক খেটে খাওয়া শৈশব প্রবণতা,

শিক্ষার ব্রহ্মাণ্ড উজাড় ছায়াহীন বিনিদ্র সেই পথ,

ক্ষমতার শ্লোগান রেণু -

ধারাবাহিক ফসল ফলায় স্রোতে,

এমন দুরারোগ্য ব্যাধি নিয়ে,সহস্র অস্পষ্ট কবিতার খাতা

শৈশবের কয়েল পুড়েছে সময়ের বজ্রপাতে -

এখনও ঘুরবে বলে যারা অপেক্ষা করে পাখার মতো ,

কোন পাটকেল কখন ছুঁড়তে হবে "বিশ্বাসে মিলায় বস্তু "

এখানে গোপালেরা নাড়ু ভুলে বসে আছে -

একটু ভাতের আশায় ।


_____এবং দে বা শী ষ


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ