পোস্ট বার দেখা হয়েছে
পাখিজন্ম
একটা পাখিজন্ম পেলে
উড়ে যেতাম পুবাকাশে-
ওই অস্ফুট আলো, রাঙাভাঙা রোদ
হিমেল বাতাসের অন্তবিহীন অনুরাগ
মগ্ন নীরবতা ফুটে আছে নিশ্চুপ ছায়াতলে
পাখিজন্ম কি এতটাই সহজ?
ডাকহরকরার মতো ছুঁটে যেতে হয় সূর্যাস্তের দিগন্তরেখা ছুঁয়ে, দূরতম দেশে-
খড়কুটোর মায়ামৃদঙ্গ পেরিয়ে-
বেহালার উদাসী সরগমে
উড়ানের উষ্ণতাটুকু পেলেই জেগে উঠে সুজন বৈরাগী
একটা পাখিজন্ম পেলে মেঘের পাশাপাশি হাঁটা যায়।
মনখারাপের পৃথিবী
যে ট্রেনটি মনখারাপের পৃথিবী পেরিয়ে যাচ্ছে
আমি তার জন্য কীই-বা করতে পারি?
পথের ধুলোয় মিশতে গিয়ে আমিও তো কতবার স্মৃতিভ্রষ্ট হয়েছি
তবুও নিজেকে সামলে নিয়েছি
মেঘের দিকে তাকিয়ে কতবার বৃষ্টিতে ভিজেছি
কই, একটুও তো শ্রাবণঘ্রাণ পাইনি
চোখের ভিতরে মেঘের দীর্ঘ ছায়া পড়েনি
ছাদের উপর দাঁড়িয়ে দেখি এখনও তোমার আঁচলের কোণে লেগে আছে বুনোফুলের সোঁদা গন্ধ
বাসি চুলের ঢেউ-
নূপুরের অন্তবিহীন পরশটুকু
আসলে মনখারাপের পৃথিবীতে এক একটা মায়াকাহিনির জন্ম হয়
পাখির কলতানের পাশে গাছের ছায়া নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে
ধীরে ধীরে মাঠ ডিঙিয়ে সন্ধ্যা নামে
ট্রেনটি সমস্ত প্রিয়মুখ পেরিয়ে ক্রমে দূরত্বের গল্প তৈরি করে
আমি কীই-বা করতে পারি এই নিরোল অন্ধকারে?

0 মন্তব্যসমূহ