পোস্ট বার দেখা হয়েছে
ফল্গু ধারা
আমার মনে ফল্গু ধারার মতো
বয়তে থাকো তুমি একুশ সালের ব্রত।
ত্রস্ত আমি, নষ্ট আমি, যত কাগজ অলিখিত;
সব যেন আজ তোমায় দিলাম সম্মোহনী ক্ষত।
কলম আমার, কালিও তো অন্য কারুর নয়।
একটু ভেবেই বলো,
কৌপিন কি শাদা থাকতে হয়?
ভয়ের আমার কথা ছিল, প্রসঙ্গটাও নাকি! মাঝখানে যে বাগড়া দিল,
তাকে কি নামে যে ডাকি?
সেতো তুমিই আমার, আগোল ছাড়া তুমি।
পূর্ণিমা রাত, সন্ধ্যা-উত্তাপ
কেমন বিপর্যস্ত দামি…
====
দেখা
এত অভাব দেখি দেশে,
আমার অভাবটা বিলাসিতা মনে হয়।
অনেকে বলে, ‘তোমার এটা পাওয়া হয়নি,
এটা তো তোমারই প্রাপ্য বল? এটা তুমি ডিজার্ভ করো…
আচ্ছা আজও অগণিত মানুষ পথে ভিখারী,
আচ্ছা আজও বৈষম্যের বাঁধ বাধা হয় গঙ্গার বুকে,
আচ্ছা আজও কত প্রতিবন্ধকতাযুক্ত মানুষ পথ শিশু হয়ে যায়,
আচ্ছা তারা কী ডিজার্ভ করে বলতো…
আমি তো অনেক কিছু পেয়েছি;
আমার মধ্যে না পাওয়ার অনুভূতি জাগিও না প্লিজ।
যদি কিছুতে শান দিতে পারো,
তাহলে দাও আর হও আরোও মানবিক।
‘একবার আকাশের দিকে তাকাও, একবার মাটির দিকে…’
আকাশের তো কোন বৈষম্য নেই তবে মাটিতে এত কিসের।
না আমি ভালো লিখতে পারি না।
আমি আমার না পারা নিয়েই খুশি।
কত মানুষ তো কত কিছু পারে না।
দামি কমদামির হিসেব বড় ঠুনকো।
মাটি, জল সবই ভাগ করছি অনবরত।
আমরা মানুষ হচ্ছি না কেন তা শুধু বুঝতে পারছি না।
কেউ যদি আমাকে একটু বোঝাতে পারো? কোন পারিশ্রমিক ছাড়া।
কেউ যদি আমায় একটু বলো,
কাল যে রিক্সাওয়ালা ছিল আজ কী করে হাত কাটা ভিখারী হল…

0 মন্তব্যসমূহ