দর্পণ পত্রিকা || ইতিহাস ও আলোচনা




পোস্ট বার দেখা হয়েছে

"দাঙ্গার স্বাধীনতা"

 অরবিন্দ সরকার

      

উনিশশো সাতচল্লিশের পনেরো আগষ্ট রাত্রি বারোটা, দেশ ভাগের ইতিহাস! ভারতমাতার দুইহাত বিভক্ত পূর্ব পশ্চিমে । জাতিদাঙ্গায় হিন্দু মুসলিম ক্ষতবিক্ষত, সীমাহীন শারীরিক অত্যাচারে জর্জরিত। সদ্য গঠিত পাকিস্তান , পশ্চিমে পাঞ্জাব ও পূবে বাংলা নিয়ে ভাগাভাগি। দেশ ছাড়ার হিড়িক, জমিজমা পুকুর বাস্তুভিটা ছেড়ে একে অপরের দেশত্যাগ। এদিকে পাকিস্তান ও ভারতে উন্মাদনা স্বাধীনতা দিবস। বাংলার মুর্শিদাবাদ নদিয়া খুলনা তখনও দোটানায়! স্বাধীনতার তিনদিন পরে এরা পেলো দেশ। লড়াই করলো যারা তারা দিশেহারা, শহীদের রক্ত মূল্যহীন। যারা বললো যদি দেশ ভাগ হয় তাহলে আমার বুকের উপর দিয়ে ভাগ হবে। দেশ সত্যিই ভাগ হলো কিন্তু বুকের উপর দিয়ে নয়? সিংহাসন ভারতের একটা তাই পরিকল্পনা - সিংহাসন আরো হোক। জাতির নামে ভয়ানক বজ্জাতি খেলা। জাতিতত্বে দেশভাগ, চেয়ার দুটো । মিউজিক্যাল চেয়ারে রইলো কাশ্মীর! আপোষে স্বাধীনতা, ভিক্ষার পাত্র নিয়ে বিদেশীর দরবারে। যারা ছিলো বৃটিশের বন্ধু,প্রেমিক,তারাই ভারতের ভাগ্যবিধাতা! নেতাজীর রক্ত দাও স্বাধীনতা দেবো উক্তি বৃথাই গেলো। নেতাজীর অন্তর্ধান রহস্য গোপনেই রইলো। নেতাজীকে বৃটিশের হাতে তুলে দেওয়ার চুক্তি স্বাক্ষর, ক্ষুদিরাম গলায় দড়ি পড়ে ফাঁসি মঞ্চে উপস্থিত হয়ে হাসে অট্টহাসি। বিনয় বাদল দীনেশ লজ্জায় লুকোচুরি খেলে মহাকরণের অলিন্দে। লজ্জায় মাথা নত বীর শহীদদের। আবার সেই বৃটিশের ফেলে দেওয়া জুতো পরে শাসন ও শোষন। স্বাধীনতার ছিয়াত্তর বছর পরেও দেশ এখনও শিশু রাষ্ট্র! ভারতের স্বাধীনতার পরে চীনের স্বাধীনতা,তারা কর্মঠ, দেশের যৌবনপ্রাপ্তি। এগিয়ে চলে তারা,আর পশ্চাতে আমরা। বংশানুক্রমিক রাজা বৃটেনের মতো। স্বজন পোষনে,প্রজা পেষনে মসনদে আসীন রাজা, আর পিঠ কুঁজো হয়ে রয়,খোরাকের স্বপ্ন দেখে প্রজা! বৃহত্তম গণতন্ত্রে ভোট আসে ভোট যায়, স্বাধীনতা দিবসে ন্যাংটা মানুষ লালকেল্লার বক্তৃতা শোনে, মাঠ ভরায়‌। অবশেষে যদি একটা লজেন্স পায়,সেই আশায়।

=======

ভারতের স্বাধীনতা দিবসের ইতিহাস

জয়ীতা চক্রবর্তী আচার্য


“ধনধান্য পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা, তাহার মাঝে আছে দেশ এক সকল দেশের সেরা” – সকল দেশের সেরা এই দেশটি হল আমাদের জন্মভূমি ভারতবর্ষ।


আমাদের দেশ আজ স্বাধীন। ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ সালে আমরা এই স্বাধীনতা লাভ করেছি।


১৯৪৭ সালের ৪ জুলাই ভারতের স্বাধীনতার বিল পেশ করা হয়

বিলটি ১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই গৃহীত হয়েছিল।

১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট ভারত স্বাধীন হয়।


দেশজননী ভারতবর্ষের শৃঙ্খলমুক্তির জীবনের ইতিহাসে স্মরণীয় দিন ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট। কয়েক শতক ধরে বহু বীর সন্তানের বুকের রক্ত ঝরানো ও বহু বীর শহীদের আত্মবলীদানের পর এসেছে মাতৃজননী ভারতমাতার জাতীয় মুক্তি তথা স্বাধীনতা। এই স্বাধীনতার অরুণোদয় সূচিত হয়েছে সুদীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যা প্রায় দুশো বছর ধরে চলা ব্রিটিশ রাজশক্তিকে পদানত করে।


কেন ১৫ অগাস্ট তারিখটিকেই (Independence Day is celebrated on 15August) দেশের স্বাধীনতার (Independence Day) জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল? এ সম্পর্কে বিভিন্ন ঐতিহাসিকের আলাদা বিশ্বাস রয়েছে। কিছু ঐতিহাসিক মনে করেন সি রাজাগোপালচারীর পরামর্শে মাউন্টব্যাটেন ভারতের স্বাধীনতার জন্য ১৫ অগাস্ট দিনটিকে বেছে নিয়েছিলেন। রাজগোপালাচারী লর্ড মাউন্টব্যাটেনকে বলেছিলেন যে তিনি ১৯৪৮  সালের ৩০ জুন পর্যন্ত যদি অপেক্ষা করেন, তাহলে তখন তাঁর কাছে স্থানান্তর করার কোনও শক্তি থাকবে না। এমন পরিস্থিতিতেই মাউন্টব্যাটেন ১৫ অগাস্ট দিনটিকে ভারতের স্বাধীনতা দিবস হিসাবে বেছে নেওয়ার পক্ষে ছিলেন।


কিছু ইতিহাসবিদ মনে করেন যে মাউন্টব্যাটেন ১৫ অগাস্ট তারিখটিকে (Independence Day) শুভ বলে বিবেচনা করেছিলেন, এই জন্যেই তিনি ভারতের স্বাধীনতার জন্য ওই তারিখটি (Independence Day is celebrated on 15August) বেছে নিয়েছিলেন। মাউন্টব্যাটেনের কাছে  ১৫ অগাস্ট দিনটি মঙ্গলজনক ছিল, কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪৫ সালের ১৫  অগাস্ট জাপানি সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল এবং মাউন্টব্যাটেন সে সময় মিত্রবাহিনীর সেনাপতি ছিলেন।


ক্ষমতা হস্তান্তরের দিন স্থির করেছিলেন, ভারতের তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেন। ‘ফ্রিডম অ্যাট মিডনাইট’ গ্রন্থে ওই প্রশ্নের জবাব হিসেবে তিনি প্রাথমিক ভাবে যদিও লেখেন, ‘‘আমি দিনটা এমনিই বেছেছিলাম…।’ কিন্তু পরে তিনি ঠিক ওই দিনটাকে বেছে নেওয়ার পক্ষে একটা ব্যাখ্যাও দিয়েছিলেন।


সেই ব্যাখ্যা অনুসারে বলা হয়েছে, ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট জাপানের সম্রাট মিত্রশক্তির কাছে আত্মসমর্পণের কথা ঘোষণা করেন। এবং যেহেতু মিত্রশক্তির সুপ্রিম কম্যান্ডার হিসেবে সেই নথিতে স্বাক্ষর করেছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন তাই জাপানের আত্মসমর্পণের দ্বিতীয় বার্ষিকীর দিনটিকেই তিনি ক্ষমতা হস্তান্তরের দিন হিসেবে স্থির করেন। অর্থাৎ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির পরাজয়ের দিনটাকেই লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতার দিন হিসেবে চিহ্নিত করে রাখলেন তাঁর ব্রিটিশসুলভ কূটকৌশলের মাধ্যমে।


স্বাধীন ভারতে এই দিনটি অত্যন্ত আড়ম্বরের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়। প্রত্যেক জাতির কাছেই তাদের স্বাধীনতা দিবস খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের কাছেও ১৫ আগস্ট অতি পবিত্র দিন। 

এটি জাতি এবং ভারতীয়দের জন্য একটি গর্বের দিন, কারণ এটি সেই দিনটিকে চিহ্নিত করে যখন আমাদের মাতৃভূমি অবশেষে 200 বছরেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। এটি ছিল 15 আগস্ট, 1947, যখন দেশটি মধ্যরাতের আঘাতে ব্রিটিশ রাজ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।


দীর্ঘ ১৯০ বছর ধরে বহু রক্ত ঝরেছে দেশজুড়ে। দেশের উপর ব্রিটিশ শাসকদের শোষণের নাগপাশ যখন তীব্র হয়ে চেপে বসেছে তখন থেকেই ধীরে ধীরে ভারতবর্ষের মধ্যে ক্ষোভ দানা বেধেছে। এই ক্ষোভের প্রথম বহিঃপ্রকাশ ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের মহাবিদ্রোহের মাধ্যমে।

বিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে গান্ধীজীর হাত ধরে এক নতুন মাত্রা যোগ হয়। সমগ্র দেশের মানুষ একযোগে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে কোন আন্দোলনে শামিল হয়। গান্ধীজীর অহিংসা ও সত্যাগ্রহের মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে সমগ্র দেশ জুড়ে একের পর এক আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।


ইউরোপীয়রা 17 শতকে ভারতে তাদের প্রতিষ্ঠা করে। যাইহোক, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তাদের সামরিক শক্তির কারণে স্থানীয় রাজ্যগুলিকে সংযুক্ত করে এবং 18 শতকের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়ে ওঠে। ভারত সরকার আইন (1858) এর অধীনে ইংরেজরা ভারতীয় জাতির উপর সরাসরি নিয়ন্ত্রণ লাভ করে।


পরবর্তী দশকগুলিতে ভারতে নাগরিক সমাজ ধীরে ধীরে আবির্ভূত হতে শুরু করে, বিশেষ করে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস পার্টি, 1885 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরের বছরগুলিতে অজনপ্রিয় রাওলাট আইন, ভারতীয় স্ব-শাসনের দাবি, এবং ঔপনিবেশিক সংস্কার দেখা যায়। মন্টাগু-চেমসফোর্ড সংস্কারের মতো। এই সময়কালে মহাত্মা গান্ধীর অহিংস, অসহযোগ এবং আইন অমান্য আন্দোলনের মতো আন্দোলনগুলি সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ অর্জন করেছিল।


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ভারতীয় অংশগ্রহণ এবং অসহযোগের জন্য কংগ্রেসের চূড়ান্ত চাপের কারণে অনেক রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দেয়।


1947 সালের 15ই আগস্টের ভোরে, আমাদের স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু দিল্লির ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ “লাল কেল্লা”-এ ভারতের তেরঙা পতাকা তুলেছিলেন। পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রথা চালু হয়।


আমাদের প্রতিজ্ঞা—জীবন দিয়ে আমরা দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করব।


“ভারত আবার জগত সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে।।”

=====

 বেলা বোস

কাকলী দাশগুপ্ত

 

ভারতবর্ষে প্রথম কোন নারীর নামে  রেল স্টেশন।

এ এক গর্বের ইতিহাস!

সেই  রহস্যের সন্ধানে আজ আমাদের যাত্রা।


হাওড়া- বর্ধমান কর্ড লাইনে একটি রেলস্টেশনেের নাম  বেলানগর।

 

নেতাজি কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এলেন।

 নেতাজির সঙ্গে বেরিয়ে এলেন  ভাইঝি  বেলা বসুও।

বেলা বসু নেতাজির দাদার মেয়ে।


নেতাজি তখন আজাদ হিন্দ বাহিনী গঠন করেছেন।

বেলা আজাদ হিন্দ বাহিনীর সিক্রেট সার্ভিসের দায়িত্ব পেলেন।

কলকাতা থেকে গোপনে রেডিও ট্রানসমিটার মারফত সিঙ্গাপুরে আজাদ হিন্দ বাহিনীকে  এখানকার খবর সব পাঠাতেন। 


আজাদ হিন্দ বাহিনীর সিক্রেট সার্ভিসের একটি বড় দায়িত্বে ছিলেন আরেক জন স্বাধীনতা সংগ্রামী। 

তাঁর নাম হরিদাস মিত্র। 


 হরিদাস মিত্রের সঙ্গে বিবাহ হল বেলা  মিত্রের।


বেলা মিত্র দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ডানকুনির কাছে উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনে কাজ করতে শুরু করেন।

অক্লান্ত পরিশ্রম করার ফলে মাত্র বত্রিশ বছরে বেলা মিত্র  চলে গেলেন। 


১৯৫৮  সালে  সংলগ্ন  এলাকায় বেলা মিত্রের স্মৃতি রক্ষার্থে  একটি  রেলস্টেশন স্থাপন করা হয়।

সেই রেল স্টেশনটিই হল আজকের বেলানগর রেল স্টেশন। 


স্বাধীন ভারতে বেলানগর রেল স্টেশনই  হ'ল  কোন নারীর নামে প্রথম রেলস্টেশন। 


শেষে আর একটা বড় চমক! 

বেলা মিত্র হলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী  ড. অমিত মিত্রের মা।

বাবা হলেন হরিদাস মিত্র।

রাজ্যের প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার। 


এক বছর আগে শতবর্ষ পেরিয়ে গেছে বেলা মিত্রের (১৯২০- ১৯৫২)


বড় তাড়াতাড়ি চলে গেলেন নেতাজির ভাইঝি!


এবার যখন ট্রেনে করে বেলানগর স্টেশনের ওপর দিয়ে যাবেন, আশা করি সেই মহীয়সী নারীর কথা নিশ্চয় মনে পড়বে।

হয়'ত ট্রেনের জানলা  দিয়ে দেখতে দেখতে অজান্তে একটি হাত কপালে উঠে আসতে পারে।

একটু দীর্ঘশ্বাস!

=====

 কোথায় স্বাধীনতা ?

 নীলাঞ্জনা ভৌমিক 


স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ কি  -- স্ব অর্থাৎ নিজের অধীন। স্বাধীনতা কথাটা একজন মানুষের ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য তেমনি একটি দেশের ক্ষেত্রেও। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান - জীবন নির্বাহের জন্যে যেমন অপরিহার্য ,  একটা দেশের তেমনি 

প্রয়োজন দেশবাসীর স্বনির্ভরতা। মুঘল আমলের সাতশ বছর কাটিয়ে ভারতবর্ষ ইংরাজদের অধীনে যেতে বাধ্য হয়। দীর্ঘস্থায়ী সংগ্রামের পর ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগষ্ট দেশ স্বাধীন হয়। কিন্তু সত্যিই কি ভারতবাসীরা আজও প্রকৃত অর্থে স্বাধীন ? পরাধীন ভারত বিদেশী শক্তির দ্বারা লুন্ঠিত হয়েছে বার বার, নারীধর্ষণ,শিশু ও নারী পাচার যেমন পূর্বেও হয়েছে তেমনই আজও হয়। কিন্তু কেন হয় ?? আজকের এই একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে আমরা কি দেখছি --- প্রশাসনিক শক্তির জোরে শিক্ষাবিভাগে কোটি কোটি টাকা লুন্ঠণ হচ্ছে , চাকরি দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষকে শোষণ করা হচ্ছে , অযোগ্য ব্যক্তি শিক্ষকের পদ পাচ্ছে। এই অবস্থা প্রতিটা স্তরেই দেখা যাচ্ছে। বঞ্চনা,শোষণের রাজনীতি আজও কেন চলছে ? বিদেশী শক্তি লুণ্ঠনের উদ্দেশ্যেই এসেছে এই দেশে ,কিন্তু আমরা যখন নিজেরাই আমাদের মাতৃভূমিকে শোষণ করছি তখন কি মনে প্রশ্ন জাগে না -- এ কিসের স্বাধীনতা !!

কোথায় গেল ১৯৪৭- এর দেশভক্তি , জাতিয়তাবোধ ? রুজিরুটির জন্য দলে দলে যুবক - যুবতী দেশ ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। মায়ের কোল শূণ্য হচ্ছে। কবি রঙ্গলাল বন্দোপাধ্যায়ের কথায় " স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় "--- না  সত্যিই কেউ পরাধীন হয়ে বাঁচতে চায় না। কিন্তু কোথায় স্বাধীনতা !!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ