পোস্ট বার দেখা হয়েছে
বুকের কার্নিশে রাখা যত যন্ত্রণা
জীবন কি থেমে থাকার জন্য!
আমি নিয়মিত চালিয়ে নিয়ে যায় রেলগাড়ি,
গরুর গাড়িতে আসে মা অন্নপূর্ণার ভোগের যোগান;
নীরু রোজ মাছ আনে--
মাছের গায়ে লেখা থাকে আয়ুর মৃত্যুর গল্প
মায়াব্রত করে কল্পনার রাজ্যে
আর ভোগ করে সুখের আশায় শব্দ চাষ
খন্ড খন্ড রামায়ন দেখে বিচার হয় কর্মের
এবং সতীত্বের
জীব প্রেম করে নাকি প্রেম জীবন তৈরি করে --- সংশয়।
হেমন্তে কোকিল ডাকলে
বসন্ত হাহাকার করে ,,,
জীবন সহজ পাঠ নয় অথচ
কাঁচা লঙ্কা মূল্য সময়রূপি ভগবান।
বুকের কার্নিশে রাখা যত যন্ত্রণা
লাল নীল হলুদ সবুজ হয়ে যায়।
প্রকৃত যন্ত্রনা কোথায় জানতে চাই
সুখের পায়রা
উত্তর আসে পেটের দায়ে,,,
পকেটে শনি থাকলে বৃহস্পতি অন্ধকার
নতুন পাটি নতুন বিছানায় নতুন রূপে
তবু সততা একটাই,,,
====
কল্পনা
কতো যুগ কেটে গেলো তবু বৃষ্টির চিহ্ন নেই
পাখিগুলোকে ডাকলে ওরা মুখ ফিরিয়ে নেয়
মাটির দিকে তাকালে দেখি মরা ঘাসের বীজ
আলোর মধ্যেও কত গভীর অন্ধকার
চাঁদটা তারা তারা খেলছে
সূর্য পাখি হয়ে মাটি কামড়ে খামচে
আলোর অবস্থানের স্থিরতা আনতে ব্যস্ত
কখন যেনো পানকৌড়িগুলো
মেঘ ছুঁয়ে গেছে
শালিকের ঝাঁক পৃথিবী থেকে বহু দূরে
নতুন কোনো আমাজনের সন্ধানে
সবাই যদি এ ভাবে চলে যাও
তবে পৃথিবী শুকিয়ে যাবে
তার সবুজটুকু ছিঁড়ে গেলে
স্রষ্টা গন্ধ নেবে কি সে?
====
ধোয়া তুলসি পাতা হতে পারি
বহুদিন হলো রোদ ওঠে না
বৃষ্টিকে আমি চেয়েছিলাম ঠিকই
কিন্তু রোদকেও হারতে চাইনি।
কেন জানি না সুখী হতে পারি না,
ছয় ঋতুর কাউকেই আলাদা করে
আজ অব্দি মেনে নিতে পারেনি মন।
সবাইকে একসাথে চাওয়ার লোভ
দিন দিন আমাকে লোভী করে তুলেছে।
ওরা কিন্তু আসে, প্রত্যেকেই আসে,
নিজের নিয়মে, চলেও যায়।
আমি ওদের নাম দিয়ে নতুন নতুন বছর লিখি---
শরতের শিউলি ফুল শীতে মুখ ফিরিয়ে নেয়
ঠিক তখনই আমার মন ভাঙতে থাকে
আবার যখন বসন্ত আসে---
পলাশের রঙে রাঙিয়ে দেয়
কিন্তু গ্রীষ্ম তুমি তো কোনো দোষ করনি,
তোমাকে নিয়ে বরং আমি বাঁচি,
তোমাকে নিয়েই আমি লিখি;
গ্রীষ্ম তোমার আবির্ভাব না হলে
কেমন করে ঘটতো বাকিদের ভালোবাসায় ভালো থাকার সূত্রপাত
চাঁদ সূর্য সব মিলিয়ে যায়
কখনো বা দিন শেষে কখনো বা ভোর রাতে
এতসব লেখার প্রয়োজন নেই
তবু আমি লিখি বিষগুলো উগলে ফেলি
তোমাদের চোখে সেগুলো বিষ মুক্ত হলে
আমি তুলসি পাতা হতে পারি, দুধে ধোয়া।

0 মন্তব্যসমূহ