দর্পণ || ক বি তা ~ মনোজ অধিকারী




পোস্ট বার দেখা হয়েছে

স্তবকগাঁথা 


যারা গান গায় 

তাদের মুখের দিকে 

তাকিয়ে থাকি কি করে গায় 


যারা ভালোবাসে 

তাদের চোখের দিকে 

তাকিয়ে থাকি 

কতদূরে চলে গেলে প্রেমিক মনে হয় 


যারা স্বপ্ন দেখে 

তাদের ঘুমের ভিতর 

আমিও ঘুমিয়ে পড়ি

দেখি, কিভাবে স্বপ্ন ভেঙে যায় 


এই কবিতাটা শুধু 

তাদের জন্য, যারা প্রতিনিয়ত 

আমাকে ছুঁতে চায়। 

=====

কাট 

কম্পিউটারাইজড 


মুনিয়া এসে জানালার পর্দাটা টেনে দিলে আমার রাগ হত 

বাড়ির উঠোনে, একটা গাছ থাকলে যেমন ঝড়ে 

ভেঙে গেলে ক্ষয় ক্ষতির ভয়, এ্যাডভাস্টারের টিন, মুরলী 

বাঁশের বেড়া, মেঝেটুকু পাকা। 


জালানাটা কেউ বন্ধ করে দিলে আমার খুব অভিমান হত 

আর যদি কোনদিন দেখা না হয়, যদি ঝড়ে 

চাপা পড়ি, কে আমাকে তুলে ধরবে

জানালা বন্ধ, ঘরে তো মানুষ নাই, যদি মরে যাই 


যদি ধূলো পায়ে এসে দাঁড়ায় আমার সামনে।  


কপি 


গাভীটা চড়াতে নিয়ে যাই বিকেলে 

সঙ্গে তার বাচ্চা, সবে পোয়াতি 

এইটুকু বিশ্বাস রাখে তারা 

আমার প্রতি আমি তাদের মায়ের দুধ 

পান করিনি।


পেস্ট 


তবে কি সত্যিই ভুলে যেতে হবে? পারব?

====

নির্বাচন তালিকাভুক্ত 


আমরা এখানে সবাই ভোট দিতে এসেছি 

কে কাকে দেব তা আমরা জানিনা

তবে ভোট দেওয়া বাধ্যতামূলক 


সকালে এক রং তো বিকেলে আরেক 

সন্ধ্যা হলে পাল্টে মুখের ব্যবহার 

মনে হয় এই তো সেদিন 

তাকে ভোট দিয়ে জিতালাম, এই হাতে 

তবুও খাটো পড়ে যায় চোখের পর্দা


জানালা বন্ধ করে দেয় কেউ কেউ 

আমার চশমার কোন জানালা নেই, পর্দাও 

আমি দেখি ভোট দেবার পর কেউ কেউ

চা খায়, বিস্কুট আর ঝালমুড়ি 

হাতের বাদাম খোসা হয়ে যায়, এক নিমিষে 


তবুও ভোট দেই 

ভোট দিতে হয়, ভোটাররা মরে গেলেও।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ