দর্পণ || প্রফুল্ল চাকী আত্মহত্যা করেন নাকি তাঁকে হত্যা করা হয় ?




পোস্ট বার দেখা হয়েছে
আজ ক্ষুদিরাম বসুর সহযোদ্ধা প্রফুল্ল চাকীর প্রয়াণদিবস । শ্রদ্ধার্ঘ্য-স্বরূপ রইল তাঁর মৃত্যুরহস্য নিয়ে একটি প্রতিবেদন :

.

প্রফুল্ল চাকী আত্মহত্যা করেন নাকি তাঁকে হত্যা করা হয় ?

.

প্রফুল্ল চাকীর মৃত্যুর পর কত বছর কেটে গেছে ৷ এখনও সাধারণ মানুষের ধারণা কিংসফোর্ড হত্যা-প্রয়াসে বোমা বর্ষণের পর পালাতে গিয়ে মোকামায় পুলিশের হাতে ধরা পড়ার আগে তিনি আত্মহত্যাই করেছিলেন, কেন না এ রকমই প্রচার ৷ শুধুমাত্র আলিপুরের 'স্মরণীয় বিচার সংগ্রহশালা'য় রক্ষিত প্রফুল্লর মৃতদেহের ছবি দু’টিতে বর্ণনা দেওয়া রয়েছে - নিজের উপর গুলিচালনার ফলে আত্মহত্যা ৷ সম্ভবত, তা কর্তৃপক্ষের সংযোজন ৷ বিষয়টি আজও আলোচনার দাবি রাখে ৷ প্রফুল্ল চাকীর মৃতদেহের ছবির দৃষ্টান্তে গুলিচালনার তত্ত্ব প্রশ্নের অতীত নয় ৷


বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে যে সকল তথ্য ও সংবাদ পাওয়া গেছে তার বিশ্লেষণে প্রফুল্লর আত্মহত্যার তত্ত্বটি সমর্থিত হয় না, বরং তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল এটাই নির্দেশিত হয় ৷ প্রচলিত মতের বিরুদ্ধে এই আলোচক যে 'হত্যা-তত্ত্ব' প্রতিষ্ঠার প্রয়াস পেয়েছেন সেখানে কোনও অভিনবত্ব বা চমকসৃষ্টির উদ্দেশ্য বা বাসনা ক্রিয়া করেনি বরং প্রাপ্ত তথ্য ও সংবাদের ভিত্তিতে সত্য প্রতিষ্ঠা হোক এই ইচ্ছাই প্রধান ভূমিকা নিয়েছে ৷ এখানে বলা দরকার, কিংসফোর্ডকে মারার জন্য ক্ষুদিরাম ও প্রফুল্লর ভূমিকা কী ছিল ? বোমাবর্ষণের পর তাঁরা কেমন করে, কোন পথে পালালেন ? ক্ষুদিরাম কীভাবে ধরা পড়লেন ? প্রফুল্লর কীভাবে মৃত্যু হল ? এসব প্রশ্নের ঠিক-ঠাক উত্তর জানা নেই ৷ বিভিন্ন লেখক ও সমসাময়িক পত্রিকার প্রতিবেদনে অসঙ্গতি প্রচুর, অথচ প্রত্যেকেই বিস্ময়কর ভাবে নিজের তথ্যকে নির্ভরযোগ্য বলে দাবি করতে কুণ্ঠাবোধ করেননি ৷ অতএব, ভরসাস্থল হিসেবে কোর্টের কাছে পেশ করা তথ্য, সাক্ষীদের জবানবন্দি ও লেখকদের বিভিন্ন বিবৃতির মধ্যে সাধারণভাবে গ্রহণযোগ্য তথ্য ও সূত্রাবলীর প্রতি যথেষ্ট মান্যতা দিতে হয়েছে ৷


বঙ্গভঙ্গ বিরোধী প্রতিবাদ আন্দোলনের সময়ে অরবিন্দ ঘোষের নেতৃত্বে একদল কিশোর-তরুণ বিপ্লববাদের মন্ত্র গ্রহণ করেন ৷ মজফ্ফরপুরের জেলা ও সেশন জজ ডি. এইচ. কিংসফোর্ডকে হত্যা করার জন্য বাংলার বিপ্লবী সংস্থা ক্ষুদিরাম ও প্রফুল্লকে নিয়োজিত করে ৷ কিংসফোর্ডের কলকাতায় অবস্থান কালে (আগস্ট ১৯০৪ থেকে মার্চ ১৯০৮) তাঁর হাতে অনেক বিপ্লবীর বিচার ও শাস্তি হয় ৷ 'যুগান্তর', 'সন্ধ্যা', 'বন্দেমাতরম' প্রভৃতি পত্রিকাগুলির বিরুদ্ধে রাজদ্রোহের অভিযোগের বিচারক তিনিই ছিলেন এবং শাস্তি প্রদানও করেছিলেন ৷ প্রতিবাদী কিশোর সুশীল সেনকে প্রকাশ্যে বেত মারার হুকুমও এই বিচারকই দেন ৷ হেমচন্দ্র দাস কানুনগোকে দিয়ে বোমা তৈরি করানো হল ৷ জানুয়ারি ১৯০৮ নাগাদ একটি বারোশো পৃষ্ঠার পুস্তক বোমা (যা খোলামাত্রই বিস্ফোরণ ঘটাবে) কিংসফোর্ডের গার্ডেনরিচের ঠিকানায় পার্সেল করে পাঠানো কিন্তু কিংসফোর্ড বইটি না খুলে আলমারিতে রেখে দেন ৷ ফলে সে যাত্রায় তিনি বেঁচে গেলেন ৷ বারীন ঘোষ ও উপেন বন্দ্যোপাধ্যায় এবার স্থির করলেন কিংসফোর্ড-নিধনের ভার দেওয়া হবে প্রফুল্ল চাকীকে ৷ হেমচন্দ্রের সুপারিশে ক্ষুদিরামকে প্রফুল্লর সঙ্গী হিসেবে দেওয়া হল ৷


৩০ এপ্রিল, ১৯০৮, বৃহস্পতিবার ৷ অমাবস্যা ৷ বিপ্লবীদের কাছে খবর ছিল, ইউরোপিয়ান ক্লাবে রোজই সন্ধ্যের পর ফিটন গাড়িতে চেপে তাস খেলতে যেতেন কিংসফোর্ড, ফিরতেন সন্ধে সাড়ে আটটা নাগাদ ৷ জজ সাহেবের গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন ক্ষুদিরাম-প্রফুল্ল বোমা-পিস্তল নিয়ে ৷ ফিটন গাড়িটিকে ক্লাবের দিক থেকে আসতে দেখে তাঁরা বোমা ছোড়ার জন্য প্রস্তুত হলেন, কেননা তাঁরা নিশ্চিত ছিলেন এই গাড়িটিই কিংসফোর্ডের এবং সেখানে তিনিই রয়েছেন ৷ গাড়িটি কাছাকাছি আসতেই বোমা ছোড়া হল, প্রচণ্ড বিস্ফোরণে তা গাড়িটিকে চুরমার করে দেয় ৷ কোচম্যান ও ফুটবোর্ডে দাঁড়িয়ে থাকা সহিস আহত হল এবং ভিতরে বসে থাকা দুই মহিলা মারাত্মকভাবে জখম হলেন ৷ এই মহিলা দু’জন হলেন স্থানীয় উকিল প্রিঙ্গল কেনেডি সাহেবের স্ত্রী ও কন্যা ৷ তাঁরা ক্লাব থেকে ফিরছিলেন, তাঁদের গাড়িটি কিংসফোর্ডের গাড়িটির মতোই দেখতে ৷ মিস কেনেডি ঘণ্টাখানেকের মধ্যে মারা যান এবং মিসেস কেনেডির মৃত্যু হয় ২ মে-র সকালে ৷ কিংসফোর্ড সেদিন একটু পরে ক্লাব থেকে বেরিয়েছিলেন ৷


বোমা বর্ষণের পর ক্ষুদিরাম-প্রফুল্ল (তাঁরা তখনও জানেন না গাড়িটি কিংসফোর্ডের নয় এবং তিনিও সেখানে ছিলেন না) জুতো খুলে খালি পায়ে ধর্মশালার দিকে দৌড়ে পালাতে থাকেন ৷ একটু পরেই তাঁরা আলাদা হয়ে যান ৷ ক্ষুদিরাম রেল লাইন ধরে খানিকটা এগিয়ে সমস্তিপুর রোড ধরলেন, আর প্রফুল্ল অন্য পথ ধরলেন ৷ আশেপাশের সম্ভাব্য সমস্ত স্টেশনের রাস্তা সিল করে দেওয়া হল ৷ ১ মে ভোররাত ১টার সময় দশজন কনস্টেবল নিয়ে মোকামা স্টেশনের দিকে এসআই রামাধার শর্মা এগোতে থাকলেন এবং সন্দেহজনক স্টেশনগুলিতে দু'জন করে কনস্টেবল নামাতে থাকলেন ৷ ওয়েনি স্টেশনে (এখন নাম ক্ষুদিরাম বোস পুশা স্টেশন) ফতে সিং এবং শিউপ্রসাদ এই দু’জন কনস্টেবল নেমেছিলেন ৷ ইতিমধ্যে, পায়ে হেঁটে মজফ্ফরপুর থেকে ওয়েনি স্টেশনে (দূরত্ব ৩৯ কিমি) এসে পৌঁছলেন ক্ষুদিরাম ও প্রফুল্ল সকাল ৮টা নাগাদ ৷ ক্ষুধার্ত ক্লান্ত ক্ষুদিরাম স্টেশনের নিকটের এক দোকানের মুড়ি-জল খেতে গিয়ে ধরা পড়লেন কনস্টেবল দু’জনের হাতে ৷ সেই মুহূর্তে প্রফুল্ল সেখানে না থাকায় তিনি তখনকার মতো বেঁচে গেলেন ৷


প্রফুল্ল ক্ষুধাকাতর অবস্থায় হাঁটতে শুরু করলেন ১৩ কিলোমিটার দূরের সমস্তিপুরের দিকে ৷ যখন পৌঁছলেন তখন দুপুর হয়ে গেছে ৷ এক বাঙালি নতুন জামাকাপড়-জুতো দিয়ে রাত্রের ট্রেনে মোকামার টিকিট কেটে দেন ৷ এদিকে সিংভূমের এক এসআই নন্দলাল বন্দ্যোপাধ্যায় সেই সময়ে স্টেশনে ছিলেন ৷ প্ল্যাটফর্মে এক যুবকের পরনে নতুন জামাকাপড়, জুতো দেখে তাঁর কেমন সন্দেহ জাগে ৷ গায়ে পড়ে ভাব জমালেন তিনি সেই যুবকের সঙ্গে এবং কিছুক্ষণ কথা বলে নন্দলালের আর কোনও সন্দেহ থাকে না, এই সেই অন্যতম যুবক যে বোমা ছুড়েছিল ৷ সমস্তিপুর থেকে ট্রেনে উঠলেন প্রফুল্ল, তাঁকে অনুসরণ করে জনা তিনেক কনস্টেবল সঙ্গে নিয়ে নন্দলালও উঠলেন ট্রেনে ৷ প্রফুল্ল আগেই বুঝে গিয়েছিলেন নন্দলাল তাঁকে অনুসরণ করছেন তাই তিনিও চেষ্টা করতে থাকেন নিজেকে আড়ালে রাখার ৷ মোকামাঘাট স্টেশনে এসে প্রফুল্ল কলকাতায় আসার টিকিটি কিনে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন ৷ সেই সময়ে নন্দলাল, রামাধার শর্মা, শিবশঙ্কর, জামির আমেদ ও আরও কয়েক জন কনস্টেবল মিলে প্রফুল্লকে ধরার চেষ্টা করেন ৷ ধরা পড়ে গিয়েছেন বুঝতে পেরে প্রফুল্ল দৌড়তে শুরু করেন ৷ কিন্তু সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে এঁটে ওঠা তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়নি৷ একেবারে শেষ পর্বে গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয় ৷ এখন প্রশ্ন হল, গুলি কে করেছিল ? ব্রিটিশ পুলিশের বয়ানে লেখা হয়েছে, প্রফুল্ল নিজের দিকে বন্দুক তাক করে আত্মহত্যা করেছিলেন ৷ কিন্তু পুলিশ রেকর্ডে রাখা তাঁর মৃতদেহের ছবি অন্য কথা বলে ৷


প্রফুল্লর শরীরে যে-দু’টি গুলির ক্ষতস্থান দেখা যাচ্ছে, ফরেনসিক ও বিভিন্ন সমীক্ষার প্রেক্ষিতে আত্মহত্যার ক্ষেত্রে খুবই বিরল ঘটনা বলে মনে করা যেতে পারে ৷ কেননা, তিনি ডান-হাতি ছিলেন এবং ওই দু’টি স্থানে অর্থাৎ শরীরের বাঁ দিকে পিস্তলে নল ঘুরিয়ে নিজে-নিজে একটি নয় দু’টি গুলি করা রীতিমতো অসুবিধাজনক শুধু নয়, তা প্রায় অসম্ভবই (not within easy access) ৷ এ ছাড়া গুলির ক্ষতের আকৃতি এবং ব্যাস দেখে মনে হয় না এগুলি near contact অথবা contact shot-এর কারণে ঘটেছে, যা আত্মহত্যার ক্ষেত্রে সব সময় হয়ে থাকে ৷ কালো রঙের ছাপও সেখানে অনুপস্থিত ৷


ব্রিটিশ পুলিশের রেকর্ডের বয়ান অনুযায়ী, প্রফুল্ল আত্মহত্যা করেছিলেন এই নিশ্চিত-মত এ যাবত্‍ সকলেই পোষণ করেছেন ৷ অথচ, যে-যে যুক্তিগুলি তাঁর আত্মহত্যার তত্ত্বকে সমর্থন করছে না সেগুলি সংক্ষেপে এইরকম -


১ ৷ সুদেহী প্রফুল্লর সঙ্গে গুলিভরা পিস্তল থাকতে বিনা বাধায় তিনি আত্মসমর্পণ করে স্ব-হননে প্রবৃত্ত হবেন এমন দুর্বল চিত্তের মানুষ তিনি ছিলেন না ৷ কেউ কেউ বলেছেন, তিনি পুলিশের উদ্দেশে গুলি ছুড়েছিলেন, তবে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় ৷ অথচ, অন্য তথ্য থেকে জানা যায়, তিনি পিস্তল ছোড়ায় দক্ষ ছিলেন, গুলি ছোড়ার রীতিমতো অভ্যাস করতেন মুরারিপুকুর-বাগানবাড়িতে ৷ তবে বিপদকালে উত্তেজনাবশে তিনি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছিলেন, সেটাও হতে পারে !


২ ৷ তাঁর কাঁধে এক কনস্টেবল সজোরে লাঠির আঘাত করেছিল ৷ শুধু একটিই ? তা হলে নীচের ঠোঁটের গভীর ক্ষতের কারণ কী ? কান-মুখ দিয়ে রক্ত বেরুনোর অস্পষ্ট দাগ ? এসব অত্যধিক দৈহিক পীড়নের ফল নয় কী ?


৩ ৷ দু’টি গুলির ক্ষতের স্থান নির্দেশ করে একজন বাঁ-হাতির পক্ষেই এই স্থানে গুলি করে আত্মহত্যা করা সম্ভব ৷ প্রফুল্ল স্বাভাবিক ডান-হাতি ছিলেন ৷


৪৷ vital organ-এ একাধিক গুলিতে আত্মহত্যার ঘটনা বিরল, কেননা প্রথমটির পরে শারীরিক ক্ষমতা তেমন আর থাকে না ৷


৫ ৷ কোনও competent authority কেন, কোনও ডাক্তারের দেওয়া মৃত্যুর সার্টিফিকেটও নেই ৷


অতএব, প্রফুল্ল চাকী আত্মহত্যা করেছিলেন প্রচলিত এই 'অতিসরল' কথাটি মেনে নিতে প্রবল আপত্তি রয়েছে ৷ বরং হত্যার লক্ষণগুলিই এখানে প্রকট ৷ প্রফুল্ল মৃত্যুর ঘটনাটি সম্ভবত এই রকমভাবে ঘটেছিল বলে আমার অনুমান ৷ মোকামা স্টেশনে প্রফুল্লকে বাগে পেয়ে কর্তব্যপালনে অবিচল পুলিশেরা সকলে মিলে লাঠি দিয়ে ও যথেচ্ছ দৈহিক পীড়নে তাঁকে কাবু করে এবং অর্ধচৈতন্য বা অচৈতন্য করে ফেলে ৷ এর পর তাঁরই পিস্তল দিয়ে একটি ফাঁকা আওয়াজ এবং অবশেষে তাঁর শরীরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দু-দু’টি গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে ৷ যদিও অনেকেই বলেছেন, পুলিশের উদ্দেশে প্রফুল্ল একটি গুলি করেছিলেন এবং তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় ৷ এটা হয়ে থাকলে পুলিশ কোনওভাবে তাঁর হাত থেকে পিস্তলটি ছিনিয়ে নিয়ে সেটি দিয়েই তাঁকে হত্যা করে ৷ প্রফুল্লর পিস্তলের ম্যাগাজিনে ৭টি কার্তুজ ভরার ব্যবস্থা ছিল এবং সম্ভবত প্রফুল্ল ৭টি কার্তুজ ভরেছিলেন ৷ পিস্তলটি বাজেয়ান্ত করে দেখা যায়, সেখানে ৪টি কার্তুজ রয়েছে, অর্থাত্‍ ৩টি খরচ হয়েছিল ৷ ছবিতে দু’টি গুলির ক্ষত শরীরে দেখা গেছে ৷ তা হলে আর একটি গুলির লক্ষ্য জানা যাচ্ছে না, হতে পারে তা পুলিশের উদ্দেশেই, যা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছিল, অথবা প্রফুল্লর শরীরের অন্য কোনও অংশে তা আছে, যা ছবিতে দেখা যাচ্ছে না৷ শুধু ফোটো নেওয়া ছাড়া (দু’টি ছবিরই শুধু সন্ধান মেলে) পুলিশের পক্ষ থেকে অবশ্য-কর্তব্যের কোনওটিই পালিত হয়নি ৷ এবং তাই আসল সত্য নিয়ে এই এত দিন পরেও ধোঁয়াশা রয়ে যায় ৷

_______

✍️ : নির্মলকুমার নাগ (রাজ্য ফরেনসিক টেস্টিং ল্যাবরেটরি-র প্রাক্তন অধিকর্তা)

সৌজন্যে : অতনু দাস

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ