পোস্ট বার দেখা হয়েছে
কবিতা :-
ভালো থেকো.../ দে বা শী ষ
এতো কোলাহল, জীবনকে চিনতে শেখা রোজ,
কোথাও পেয়েছি ঠাঁই, কখনও চলেছে স্বপ্ন খোঁজ,
কোথাও দুলেছে পৃথিবীর ছায়া -
সমাজকে বদলাতে চেয়েছে প্রশ্রয়,
এখনও ক্যামেরা হাতে সময় থমকে যায়।
কিংবদন্তি স্মৃতি, কী আছে সুখের প্রেক্ষাপট জুড়ে,
নায়ক থেকে চাষা, শ্রমিক থেকে শিশু,
সকলে বলিয়ান , সকলেই আশ্রয় নেয় সুখে - এ সংসারে।
কোনমতে আগলে রাখা ভাঙা ছাদ, খিদের ঝুল ধরা ভিটে ,
গ্রামের পথ বেয়ে নদী, বাঁশ গাছ, চারাগাছ চির সবুজ বুকে ,
বিজ্ঞাপনের মতো এলোমেলো মানুষ জীবন বুনেছে সুখে।
শহুরে ধুলো, সূর্যের আড়াল মোড়া অট্টালিকা হাসি,
চাকরীর হদিস নেই, শিক্ষার বেনোজল কাঁধে,
প্রেমের বাটি হাতে জ্যোৎস্না চায় যুগল বসে ছাদে।
তারপর সবকিছু ভুলে , সৃষ্টির দেরাজ খুলে,
একের পর এক সামিল হয় সংকল্প, কারুকাজ,
মানুষটা বদলাতে চেয়েছিলো অনেক কিছু,
শুনতে পাই আজও সেই বিপ্লবী আওয়াজ ।
****************************
ক্যানভাস / শিবাজী সান্যাল
১ )
ভেবেছিলাম চলে গিয়ে দূরে
হব মুক্ত , অহর্নিশ যন্ত্রণা থেকে ।
এ কী হল ? হৃদয় তোলপাড় করে
আরও কাছে এসে গেলে যেন তুমি ।
২ )
“ কর অপেক্ষা , ধৈর্য্যহীন পায়না বিজয় । ”
কেটে গেল দীর্ঘ প্রবাহ সময়ের
দিন , মাস , বর্ষ , ঋতু - সব চলে যায়
ক্লান্ত এবার , এসেছি শেষ সীমানায় ।
৩ )
ছিল নিত্যদিন কষ্ট অনেক , না পাওয়ার
যা ছিল অপর্যাপ্ত , ছিল দুঃখ , অভিমান
হয়তো তাই আজ হয়েছে স্মৃতির ভান্ডার
কেটে যায় চোখ বন্ধ করে , ভেবে সে সময় ।
৪ )
তোমার টকটকে লাল সিঁদুরে এখন
পূর্ণতা তোমার । পেয়েছ নতুন পরিচয়
আর আমার শুধুই সূর্যাস্ত , স্বপ্ন আঁধার
বাস্তব বলে যায় আমার পরাজয় ।
****************************
মাকড়সার জাল / জয়তী
ঘুমন্ত চোখের ওপরে পড়েছে অসংখ্য রঙের ভাঁজ...
অস্থির পর্দাটা পশ্চিমে ঠেস দিয়ে দুপুরের পিঠে দুলছে -
বাঁদিক থেকে ডানদিক- ডানদিক থেকে বামদিক..
তেতেপুড়ে ওঠা সিলিঙে বঙ্কাইটিস রোগির মতো ঘড়ঘড় শব্দ তুলছে তিন ব্লেডের যন্ত্রটা।
চারিপাশের সাজ বাসনের সরঞ্জাম থেকে উঠে আসছে মিশ্র রাগরাগিণী -
কোনো হেলদোল নেই...
নীল পাতা, সাদা ফেনার দেশে মুখটি স্বপ্নের অসুখে আচ্ছন্ন...
ডিজাইনার বাকী শরীরটা তার নকশাতেই রাখেনি..
অথচ তার সমস্ত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ জাগিয়ে রেখেছে কে কার অন্তরালে!
****************************
সম্মান আসলে ভীষণ বৈষয়িক / সায়ন্তিকা
শুধু সন্মানটুকুই প্রাপ্য !
বুঝিনি কী ভাবে ভাষাহীন হওয়া যায় ۔۔۔۔۔
নিস্তব্ধ হয়েছি ,
কবিতা লিখেছি ,
এ সি ঘরে মৃত্যুকে সম্পাদনা করেছি !
কতগুলো লেখা ?
কটা লাশ ?
আমি দেখিনি কী ভাবে পুরুষগুলো গিলে খেয়েছিলো একটা সূর্যকে ,
তাদের বুকের ওপর দিয়ে বয়ে চলে যায় অবমাননা !
শাহজাহানরা কোনো কালেই বিষয় সম্পত্তি নিয়ে মাথা ঘামায়নি ۔۔۔۔
তাই খাজনাগুলো বকেয়া থেকেই গ্যাছে !
রসিদের পাতায় মুড়ে রেখেছি শুধু কয়েকটা শরীর ۔۔۔
বেশ্যা ? নারী ? ঈশ্বরী ?
সব শ্লা ভোগী ۔۔۔۔
এখানে ভোগ আর বিলাসিতাগুলো কেবল রাজসাক্ষী হবে বলে নিজেদের গুছিয়ে নেয়!
বিছানার চাদরগুলোর ওপরেই ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছে যত রাজ্যের প্রতিবাদ ۔۔۔
সব শাদা অথবা কালো !
আমরা আসলে কবিতাকে গুলে খেতেই ভালোবাসি ۔۔۔۔
জলে ,দুধে অথবা মদের সাথে !
বুঝতে পারিনা ۔۔۔۔
আর কতগুলো লেখা .....
আমাদের মুখোশের রঙটা ক্রমশ ফ্যাকাসে হয়ে যায় ,
রঙ চোটে যায় পর্দার ۔۔۔۔
"লুকোতে হবে এবারে !"
আমাদের কেবল ছিনাল জন্মটা ۔۔۔۔
সন্মান পেতেই হবে !
তবুও ঋতু বদলায় ۔۔۔۔۔
সন্মানগুলো গ্রীষ্মকালীন আদ্রতায় সেঁকে নেয় ওদের শরীর ,
ওদের সবটাই ভীষণ বৈষয়িক !
****************************
এসো জোৎস্না ধরি / শুভ্রা পাল
কোথায় নিয়ে চলেছেন আমায় ছোটে নবাব
এ কোথায় ভেসে চলছি আমরা মরুতৃষ্ণায় !
এ তো নয় সেই ফুলবাগিচা প্রমোদ কানন,
যেখানে নিষ্পাপ দূর্বাদলের আর্তি শোনা যায় ।তবে কোথায় ? কোন্ নিরুদ্দেশের পথে
ভেসে চলেছি দোঁহে মৃত গোধূলির হাওয়ায় হাওয়ায়? বৃক্ষ শাখা ছাড়িয়ে ঐ নীল নীলিমার আরো উপরে-- যেখানে দিবা রাত্রির কাব্য মিলে মিশে যায়-
সোনা ঝরা আলোর বিভা ভেদ করে
এ কোথায় নিয়ে চলেছেন আমায় ?
ছোটে নবাব-- একটু থামুন,
বুড়ি গঙ্গার জলে আমাদের আদরের কন্যা যে ঘুমায় ! তাকে তুলে নিই সমাদরে হৃদমাঝারে, যাতে সে মাতৃসুধা পানে তৃপ্ত হয় ,
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আজ এসেছে সেইক্ষণ
আজ আমার বড় আনন্দের দিন
দোঁহার মিলন হবে এই অমরায়
আপনার প্রিয় রক্ত গোলাপ এনেছি সাথে
'এ নাচিস কবুলিয়া ফরমায় ' গ্রহণ করুন ...
আহ্ মেহেরুন্নিসা- চুপ করো
সূর্যাস্তের পুণ্য লগ্ন ঐ আসন্ন প্রায় ...
****************************
শোক / তন্ময় রাণা
কিছু অকাঙ্খিত শোক,
সহসাই-
কালো মেঘের মতো জমাট
বেঁধে,
আস্তরণ ছড়িয়ে যায় মনের
কোনায় ।
স্মৃতি গুলো বিদ্যুৎতের ঝলকানির
মতো বারবার,
য্যানো ঝিলিক দিয়ে ওঠে তখনl
ওতে বুঁদ হয়ে,
মন একলা হতে চায় নিরালায়।
তারপর,
কখন য্যানো একসময় মনের
সাথে বেশ,
সখ্যতা গড়ে নেয় সময়।
আর,
কাল বৈশাখীর ঝড়ের মতো
উড়িয়ে নিয়ে,
শেষমেশ মলিন করে দেয় সব
শোক।
দাঁড় করিয়ে দেয় ঝলমলে
রোদমাখা,
এক নতুন সকালের আঙিনায়।
শোকের এই,
আসা যাওয়ার মাঝেই জীবন
চলতে থাকে বেশ,
তার নির্ধারিত সীমানায় l
****************************
গল্প :-
বাবুজি আমি পতিতা নই
রতন চন্দ্র রায়
জীবন বড় অসহায়। কিছু কিছু কারনে মানুষ সমাজের কাছে ছোট হয়ে থাকে। কিন্তু সমাজ কখনও তা বুঝতে চায়না। আসলে কেনো সে অপরাধী? তার কারনটা কি? সমাজের মুখোস পড়া মানুষগুলো এদেরকে আরো বেশি অপরাধি করে তোলে! তারা সমাজে নিজেদের সুবিধা নেওয়ার জন্য ফুটপাতে পড়ে থাকা অসহায় মানুষগুলোকে দিনে দিনে আরো অপরাধী করে তোলে। এক মুঠো অন্য ও বাসস্থানের জন্য এই অসহায় মানুষগুলো ক্রমানয়ে অন্ধকার জগতে ধাবিত হচ্ছে।
আনুমানিক ১৮ থেকে ১৯ বছর হবে। একটি মেয়ে ঝোপের আড়াল থেকে বের হল। তখন রাত আনুমানিক এগারোটা হবে। গ্রামের এক মোড়ল ঐ রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল সে পাশের গ্রামে গিয়েছিল বিচার করতে। তাই অনেক রাত হয়ে গিয়েছিল। তার বাড়ি ফিরতে। মেয়েটিকে দেখে মোড়ল বলল। এত রাতে ঝোপের ভিতর কি করছিলে?
মেয়েটি বলল
না চাচা আমি কিছু করছিলাম না। তার মধ্যে ঐ ঝোপ হতে একটি মধ্যে বয়স্ক ছেলে দৌড়ে পালিয়ে গেল। তখন মোড়ল বুঝে ফেলেছে। কি ঘটেছিল। বাশঁ ঝাড়ের ঝোপে এতরাত করে একটি যুবতি মেয়ে ও একটি যুবক ছেলে কি করতে পারে । তখন মোড়ল বলে উঠল। এইটা কি শহর পেয়েছিস।
এখানে পতিতা বৃত্তি করবি। আবার বলছিস আমি কিছু করছিনা। এই তোর বাড়ি কোনটা বল। কাল সকালে তোর শালিস করা হবে। না হলে গ্রামের যুবক ছেলেদের মাথা নষ্ট করে ফেলবি। এই বলে মোড়ল সাহেব ভাল করে মেয়েটির চেহারার দিকে তাকিয়ে বাড়ির পথে রওনা হল এবং বললো আগামীকাল সকালে আমার বাড়িতে আসবি, সাথে তোর বাড়ির লোকজন নিয়ে। না হলে তোর বাড়িতে লোক পাঠিয়ে ধরে নিয়ে আসা হবে। আর শুন। তোর নামটি যেন কি ? আমার নাম জমিলা খাতুন। ও তোর সাথে ঐ ছেলেটা কে ছিল। তাকে ও আসতে বলবি। আর না আসলে কিন্তু পরিনাম ভাল হবে না। মোড়ল সাহেব যাচ্ছে আর মনে মনে বলছে, কি যে যুগপড়ল, আমি অন্য গ্রামের বিচার করি আর আমার গ্রামে অসভ্যতা এ মেনে নেওয়া যায় না!
পরদিন সকালে মোড়ল সাহেবের বাড়িতে লোক জমে গেল। কিন্তু যার জন্য আজ এ পঞ্চায়েত বসেছে তার কোন দেখা নেই। অনেক্ষন অপেক্ষা করে মোড়ল রেগে বলে উঠলো শুনুন গ্রাম বাসি। ঐ বেয়াদব-বেশরম মেয়েটা না এসে, আমাদেরকে সে অপমান করেছে। তাই আমি বলছি। অপেক্ষা না করে আপনারা মেয়েটির বাড়িতে গিয়ে ধরে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করেন। তা না হলে আমাদের গ্রামের মানসম্মান থাকবে না। এ কথা শুনে গ্রাম বাসি বলে উঠল, মোড়ল সাহেব ঠিকই বলেছেন। চলো সবাই!
তার কিছুক্ষণের মধ্যে মেয়েটা বলে উঠলো আমি এসে গেছি মোড়ল সাহেব। আমাকে বাড়ি গিয়ে ধরে নিয়ে আসতে হবে না। এ কথা শুনে সবাই মেয়েটার দিকে অবাক হয়ে তাকাল। আর সবাই বলাবলি করছে। দেখেছিস মেয়েটার কি সাহস। মোড়ল সাহেবের সামনে কি ভাবে বলে উঠলো। আমি এসে গেছি। মাইয়ার কথা শুনে মনে হচ্ছে যেন। সে পঞ্চায়েতের মোড়ল। এক কথায় দুকথায় পুরু পঞ্চায়েত সরগম হয়ে উঠলো। এর মধ্যে মোড়ল সাহেব বলে উঠলো। এই আপনারা চুপ করুন। আর মেয়েটাকে সবার সামনে আসতে দিন। আর তার মুখ থেকে শুনুন গতরাতে তাকে আমি কোথায় দেখেছি। রাতের বেলা একটি মেয়ে বাঁশ ঝাড়ের ভিতর কেন গিয়েছিল?
মোড়ল সাহেবের কথা গুলো সবাই শুনে বলে উঠল। মোড়ল সাহেব আপনিতো সবাই নিজ চোখে দেখেছেন। এটা আর বলার কি আছে। আর এই নির্লজ্য মেয়ে টি কি তার দোষ স্বিকার করবে। মোড়ল সাহেব আপনি শুধু বিচারের রায়টা সবাই কে শুনিয়ে দিন। আমাদের আবার বাজারে যেতে হবে। সংসারের ও কাজকর্ম কিছু থাকে। তাই না মোড়ল সাহেব। আর আমাদের ঘরের মেয়ে-ছেলেরা ওর মত টাকার খোজেতো আর রাতের বেলা বাহিরে যায় না। তাই আমাদের সংসারের টাকা আমাদেরই উপার্জন করতে হয়। সংসার চালাতে হয়।
সব কথা শুনে মোড়ল সাহেব বলে উঠল। এই মেয়েটা আমাদের গ্রামটাকে নষ্ট করে ফেলবে। তাই তাকে আমাদের গ্রামে রাখা যাবে না। একে গ্রাম হতে বাহির করে দিতে হবে। আপনারা কি বলেন? কোনো পতিতাকে কি আর গ্রামে রাখা যায়। বিচারে বসা সব লোকজন এক বাক্যে বলে উঠল। মোড়ল সাহেব ঠিক বলেছেন। একে গ্রামে রাখা যাবে না।
সবার কথা শুনে জামিলা বলে উঠল।
বাবুজি আমি পতিতা নই। আমি অসহায় এক শাশুড়ীর মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার জন্য এ পথ বেছে নিয়েছি। আপনারা যতই পতিতা বলে আমাকে আক্ষায়িত করেন না, কেন ? আমি মনে কিছু করবো না। যদি আপনারা পারেন। তাদেরকে প্রশ্ন করুন। যে পুরুষ গুলো দেহের লোভে নিজের সাজানো সংসার ভেঙ্গে অন্য মেয়েদের কাছে রাত কাঁটায়।
আমার স্বামী যখন আমাকে ছেড়ে অন্য একটা মেয়ের হাত ধরে চলে গেলো। তখন আপনারা কোথায় ছিলেন। আমিতো পারতাম অন্য একটা ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যেতে। শুধু যাইনি আমার শাশুড়ীর মুখের দিকে তাকিয়ে। কারন আমার শাশুড়ী অন্ধ। তার ছেলেতো চলে গেছে। আমিও যদি চলে যাই। তাহলে এই বৃদ্ধ অন্ধ মহিলাটিকে কে দেখবে। আজ তিন মাস হতে চললো, এর মধ্যে কি গ্রামবাসি কখনও আমাদের কোনো খবর নিয়েছে, না একমুঠো চাল দিয়েছে। এ পঞ্চায়াতে যারা আছেন তাদের মধ্যে অনেকে আমার সংসারের কথা জানেন তার পরও কেও আমাকে কখনও সাহায্য করেনি।
আর আপনারা কাজের কথা বলছেন। যত বাড়িতে কাজের জন্য গিয়েছি। সবাই আমাকে বলেছে। কোন যুবতি মেয়ে বাড়িতে কাজে রাখবোনা। তাই কোন বাড়িতে কাজও পাইনি। তাই ক্ষুধার জ্বালায় এই পথ বেছে নিয়েছি। এখন সবাই বলুন। আমি কি? পতিতা না অসহায় একটি মেয়ে!
জামিলা কাঁন্নার সুরে বলে ঊঠলো। মোড়ল সাহেব। আপনি জানতে চেয়েছিলেন গতকাল রাতে আমার সাথে কে ছিল। তার কথা শুনলে আপনি সহ্য করতে পারবেন না। মোড়ল সাহেব বলে উঠলো। সে আমার কি হয়। যে তার কথা শুনলে সহ্য করতে পারবো না। মোড়ল সাহেব উচ্চস্বরে বলে উঠলো। তুমি বল। ঐ ছেলেটা কে? কিছুক্ষন চুপ থেকে জামিলা বলে উঠলো...
আপনার বড় ছেলে রমজান আলী। এ কথা শুনে গ্রামের সবাই অবাক হয়ে বলে উঠলো। ছিঃ ছিঃ মোড়ল সাহেব আপনার ছেলে এ কাজ করতে পারলো। এ কথা শুনে মোড়ল সাহেব ঘৃনা ও লজ্জ্বায় নিজেকে সামলাতে পারলেন না। ক্রমানয়ে তিনি অসুস্থ অনুভব করতে লাগলেন এবং কিছুক্ষনের মধ্যে অসুস্থ হয়ে মাটিতে ঢলে পড়লেন। মোড়ল সাহেবের এই অবস্থা দেখে গ্রামবাসি সবাই মিলে হাসপাতালে নিয়ে গেল। মোড়ল সাহেবকে ডাক্তার দেখে বলল। উনার ব্রেইন স্ট্রোক হয়েছে তিনি আরো আধা ঘন্টা আগে মারা গেছেন।
এই সমাজ কি? তাদেরকে ঘৃনা করে। যারা জীবন বাঁচাতে জীবন এ পথ বেছে নেয়।

0 মন্তব্যসমূহ