পোস্ট বার দেখা হয়েছে
আঁমি ছাঁড়া অন্য কাঁউকে
কৃ্ষ্ণা আল্পনা মণ্ডল
এঁই চাঁদনী রাঁতে,"চঁলো নাঁ গোঁ"
একঁটু বঁসি
নিঁরালা দেঁখে নিঁর্জনে।
সারা গাঁয়ে জোছনা মেঁখে,
গান ধঁরি মনের অানন্দে,
তুমি যে অামার ওঁগো তুমি যে অাঁমার।।
নাঁ গোঁ,এঁটা তো অনেক দিনের পুরানো----
তাঁর চাইতে "চঁলো নাঁ গোঁ"দেঁখি,
দুচোঁখ ভরে এই জোছনা ভরা চাঁদনী রাঁতের,,,
ওই চন্দ্র কলাকে।
কিঁ,অামি তোমার চোখের সামনে এমন,,,,,
চন্দ্রমুখী থাঁকতে,
তুমি কি না দেঁখবে এঁখন
ঐসুদূর অাশমানে,
চাঁদনী রাতের চন্দ্রকলাকে।
বঁলি অমাবস্যার রাঁত্রি
তাঁর উঁপরে আঁজ আঁবার ভুঁত চতুর্দশী,
খুঁজে পাঁবে তাঁকে,
ওই চাঁদনী বলছো যাঁকে।
বলি মরে গিঁয়েও শান্তি নেই গোঁ মোটে
এখাঁনেতেও বেড়াও খুঁজে,
অাঁমি ছাঁড়া অন্য কাঁউকে-----
বঁলি পাঁরো নি তো ছাঁড়তে,
তোমার সন্দেহ বাঁতিক মনটাকে,
যাঁর জন্যই মরতে হলো,
দুজনাকে এঁকসাথে।
ঘাঁট হয়েছে অামার চঁলো নাঁ গোঁ,,,,
ও নানা-----
তুমি দ্যাঁখো,তোঁমার দুচোখ ভঁরে
তোমার মন চাঁয় দেখতে যাঁকে
আর আমি দেঁখি আমার
সুঁন্দরী বাঁলাকে।
ঠিঁক ঠিঁক ঠিঁক
ঠিঁক বলেছো স্বাঁমী
আমিই হঁলাম তোমার
একমাত্র নয়নমণি।
আজ যে ভুতচর্তুদর্শী
চল নাগোঁ যাঁই
শেওড়াগাছ ছেঁড়ে
ওই ভুষণ্ডির মাঠে গিঁয়ে বঁসি।
আঁজ চৌদ্দ প্রঁদীপ জ্বঁলবে
চৌদ্দ শাঁক খাঁবে
উদ্দেশ্য হল এঁকটা
আমাদের তাঁড়াবে।
তার চাঁইতে চলো
দুজনে ধঁরি গান,
ওগো তুমি যেঁ আমার,,,,
তুমি যেঁ আমার প্রাণ।।
0 মন্তব্যসমূহ