দর্পণ || ১৭ তম সংখ্যা || চিঠিপত্র || শৈলেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী




পোস্ট বার দেখা হয়েছে

কলমে শৈলেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী


প্রিয় দর্পণ-বন্ধু, 

       তোমাকে চিঠি লেখা ! তা কেমনে হয়? 

নড়তে চড়তেই বেলা বয়ে যায়। ভাবনার সময় কোথা ? ভাবতে গেলে ভিতরে ঢুকতে হয়। তবে না ছবিটা বেরিয়ে আসে। ভিতর-বাহিরের ছবির ষোলোকলা সামনে আসে। পরিবেশ 

পরিস্থিতির উত্তর দক্ষিণ পূব পশ্চিম তালগোল 

পাকিয়ে যায়। ভিতরে ঢুকবে না নট্ নড়ন-চড়ন

হয়ে বসে থাকবে? ভাবতে গেলে দিন কাবার। 

" এসো এসো আমার ঘরে এসো.." এই কোভিড

পরিস্থিতিতে বলা যায় না। কাব্যিক জগতে কিন্তু মনের দুয়ার খোলা। কবি সাহিত্যিকরা বড্ড কুঁড়ে। আলেকালে স্নান করে,  ঘন ঘন হাত ধোওয়া তো দূর অস্ত!  গাইয়ে বাজিয়ে নাচিয়ে আঁকিয়ে প্রভৃতি শিল্পী কলাকুশলী এমনকি বুদ্ধিজীবীরাও  এই একই গোত্রের। এরা সব ঘরে নয় ঘোরে থাকে। ভাবের ঘোরে, প্রেমের ঘোরে। সামাজিক দূরত্ব  ? কদাচ নয়। ভয়ঙ্কর ভাইরাস ঠেকাতে দৈহিক দূরত্ব বজায় থাকুক। কিন্তু মনের দূরত্ব দূরস্থান।ঘটনা গুরুতর হলেই তো কাব্য সাহিত্য শিল্পকলার বিকাশ। শুধু দয়িত - দয়িতা , দম্পতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনা প্রেম। ছড়িয়ে পড়ে পরিবারে। দশের পরিবার লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি মানুষের 

পরিবারের মধ্যে। খণ্ড খণ্ড হয়েও অখণ্ড যে 

মনুষ্য- পরিবার । ভালোবাসা বিশাল। ব্রহ্মাণ্ডের চেয়েও বড়ো । এতদিন ধরে জীবন বাজী রেখে 

যাকে ভালোবেসেছি অক্ষয় অমর অমলিন সে ভালোবাসা । আজ শুধু ঝালিয়ে নেওয়া নয় ,

ফের শুরু করছি তার প্রথম পাঠ থেকে। প্রেমিকা তো থাকবেই জীবনভর। সে যে এখন

সাত জনমের সাথী। প্রেমের অমৃত আস্বাদনের

এই পর্বে যোগ হয়েছে নূতন অধ্যায় " বন্ধু বিনে

প্রাণ বাঁচে না,  না না গো....। " প্রেম-রজ্জুতে

বাঁধা বন্ধুত্ব! শত দুর্যোগেও যে বন্ধন শিথিল

হবার নয়। 

   " ভালো আছি ভালো থেকো 

      হতাশার তমসায় আড়ি রেখো। 

     ডেকো দিয়ে হাতছানি 

     আদ্যোপান্ত এ বন্ধুরে। "

                                       ভবদীয়

                              ভারতীয় সৈনিক। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ