পোস্ট বার দেখা হয়েছে
Covid ১৯ বিষয়ক প্রবন্ধের প্রথম ভাগ লেখার পরে আমি পাঠকদের থেকে যে অভিনন্দন পেয়েছি, তার কারণে আমি তাঁদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। আমি বিশ্বাস করি অভিনন্দন বা কোন প্রকারের পুরস্কার দায়িত্ব বাড়িয়ে তোলে। বলাই বাহুল্য এই ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয়নি। অভিনন্দনের পাশাপাশি তাঁদের জানবার ইচ্ছাও আমাকে ব্যাস্ত করে তুলেছিল এই দ্বিতীয় কিস্তিটি লিখতে। তাঁদের এই জানবার ইচ্ছেটা আমি আমার পাথেয় করে এই প্রবন্ধটি লেখা শুরু করলাম।
এই ভয়াবহ সময়ে খুব স্বাভাবিক ভাবেই একটা প্রশ্ন সকলের মনে ঘুরে ঘুরে আসছে, সেটি হলো - সেই কবে যেন আমরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে গল্প করে ছিলাম, শপিং মলে শপিং করে ছিলাম, বন্ধুরা মিলে একসাথে ঘুরতে গেছিলাম আবার কবে একই ভাবে আমরা সেই দিন গুলোর মতো আনন্দ করতে পারবো, ইত্যাদি ইত্যাদি? কিছু কিছু সময় খুব নস্টালজিক লাগছে। যাঁরা একটু বেশি ভাবতে পছন্দ করেন তাঁরা হয়তো মনে মনে অন্নদাশঙ্করের পথেপ্রবাসের শেষ পাতায় লেখা তাঁর ইংল্যান্ড যাত্রার স্মৃতিচারণের মতো করে একবার আওড়ে নেন, আবার কবে পুরোনো দিনে ফিরে যাবো? দিনে পর দিন চলে যাচ্ছে, পুরোনো দিনের স্মৃতিগুলো অস্পষ্ট হবার আগে খুব ফিরতে ইচ্ছে করছে। ভিতরে জমে থাকা কষ্ট গলায় এসে আটকে গেছে, অস্পষ্ট দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে সেই ভোরের দিকে যেই দিন লকডাউন খুলে যাবে? করোনা কবল থেকে নিষ্কৃতি পেয়ে জীব জগৎ জেগে উঠবে এক নতুন ছন্দে। কিন্তু প্রশ্ন হলো সেই দিন আসবে কবে? আমি জ্যোতিষ বিষয় নিয়ে পড়াশুনা করা এক সামান্য ব্যক্তি। আমার কাজ সাহিত্য সৃষ্টি করা নয়, তার পরিবর্তে জ্যোতিষ শাস্ত্রের মাধ্যমে পরিস্থিতির বিশ্লেষণ করা। তবে আবেগের আতিশয্যে যে প্রতিভার পরিচয় আমি দেখিয়েছি তা নেহাত প্রবন্ধের খাতিরেই লেখা। আমার এই প্রবন্ধের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো করোনা থেকে আমরা কবে মুক্তি লাভ করবো। এবিষয়ে আমার সামান্য জ্যোতিষ জ্ঞান দ্বারা বিশ্লেষণ করবার এই প্রচেষ্টা আশাকরি তা আপনাদের মনোগ্রাহী হবে।
সর্বতপ্রথমে, বেশির ভাগ জ্যোতিষ শাস্ত্রবিদকে মহামারী বা ভবিষ্যবাণী এবং সারা পৃথিবীকে প্রভাবিত করতে পারে এমন কোন জাগতিক ঘটনার বিষয়ে অবগত থাকার বিশেষ প্রয়োজন থাকেনা। অপরাপর বিষয়ে যেমন বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিত্ব রয়েছেন একই ভাবে জ্যোতিষ বিষয়ের মধ্যে আলাদা আলাদা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি বর্তমান। প্রসঙ্গতঃ এই সকল বিষয়ে জ্যোতিষের যে শাখাতে আলোচনা করা হয়ে থাকে তাকে বলা হয় মান্ডেন জ্যোতিষ বা মেদিনী জ্যোতিষ।
যে সকল জ্যোতিষ শাস্ত্রী মান্ডেন জ্যোতিষ বিষয়ে অবগত তাঁরাই এই বিষয়ে অর্থাৎ কোন দেশের বা রাষ্ট্রের বিষয়ে আগাম ভবিষ্যবাণী করবার জন্য উপযুক্ত হিসাবে বিবেচিত। তবে মনে রাখতে হবে করোনা ভাইরাস এর এই ঘটনা কোন একটি রাষ্ট্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর প্রভাবে সমস্ত পৃথির্বী ত্রস্ত। করোনা ভাইরাস এর বিষয় তথা এই ভাইরাস নির্মূল করতে গেলে আমাদের দেশের পাশাপাশি দেশের বাইরেও নজর দিতে হবে। কোন একটি বিষয়ে ভাবার বাইরে গিয়ে একাধিক আনুষঙ্গিক বিষয়ের উপর গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। আমি এই ভাবে কাজের মধ্য দিয়ে যে শোধপত্র নির্মাণ করেছি তার কিছু অংশ এখানে আলোচনা করলাম।
করোনা মহামারীর পর্যায় ভুক্ত হয়ে ওঠার কারণ এই প্রসঙ্গে আমি মুখ্যত তিনটে কারণ দেখতে পাই। যেগুলি হলো নিম্ন রূপ -
গুরু এবং শনি কুণ্ডলী
বিশ্ব স্তরের ঘটনা সমূহের বিষয়ে আগম বিচার করতে গিয়ে আমি প্রথমে বৃহস্পতি চক্রের সাহায্য নিয়েছি। বৃহস্পতি গ্রহের ক্রিয়াকারিত্ব হলো কোন বিষয়ের ফলাফল বৃদ্ধি করা। আমরা যদি বিচার করি তাহলে দেখতে পাবো ২৭শে ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে - রবি এবং বৃহস্পতির মধ্যে যুতি সম্পর্কের সৃষ্টি হয়ে ছিল। এই সময় অর্থাৎ ৩১ শে ডিসেম্বর চীন WHO কে এক রিপোর্টে জানায় এই নতুন প্রকার ভাইরাস এর সম্পর্কে। বিশ্ব স্তরের এই ঘটনার বিষয়ে জ্যোতিষীয় পর্যালোচনা করবার জন্য আমাদের প্রথমে দেখতে হবে বৃহস্পতি চক্র এবং শনি চক্র। বৃহস্পতি চক্রে আমরা দেখার চেষ্টা করবো সেই সময়টি যখন বৃহস্পতি এবং রবি পরস্পরের সাথে যুতি সম্পর্ক স্থাপন করছে। এক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ আমরা লগ্নের থেকে বিচার করবার পরিবর্তে চন্দ্র থেকে বিচার করবো। কারণ যেহেতু এই বিশেষ ঘটনাটি বিশ্বস্তরীয় সেই কারণে স্থান ভেদে সেই স্থানের লগ্নও পরিবর্তিত হবে ফলতঃ পরিবর্তনশীল লগ্নের সাপেক্ষে বিচার করলে সেই বিচার নিশ্চিত ভাবেই ত্রুটি যুক্ত হবে। আলোচনা প্রসঙ্গে আমাদের মনে রাখতে হবে ২৭ ডিসেম্বর ২০১৯ এর কথা যার উল্লেখ আমি আমার পূর্ববর্তী রচনাতে করেছি। ওই দিন রবি এবং বৃহস্পতির মধ্যে যুতিসম্পর্ক স্থাপিত হয়। পরবর্তী সময়ে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ WHO কে চীন এই বিশেষ ধরণের ভাইরাস এর বিষয়ে অবগত করে। এটি সেই সময় যখন ভাইরাস এর বিস্তার শুরু হয়। এই বছর অর্থাৎ ১৩ জানুয়ারী ২০২০ তারিখের শনি চক্র নির্মাণ করলেও আমরা একই ইঙ্গিত পেয়ে থাকবো।
জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুসারে দ্বাদশ গৃহে পাঁচটি গ্রহের যুতি উক্ত কুণ্ডলীকে খুবই দুর্বল এবং দুষ্ট করেছে। চন্দ্র যে রাশিতে অবস্থান করছে সেই রাশির অধিপতি শনি রবি এবং কেতুর সাথে স্মরাশির দ্বাদশ ভাবে অবস্থান করছে। পরাশরীয় সিদ্ধান্ত অনুসারে ভাবপতি ভাবে থাকলে কারক ফলের নাশ হয়ে থাকে, আবার এও বলা হয়েছে যদি সেই গ্রহটি নৈসর্গিক অশুভ বা ক্রূর গ্রহ হয়ে থাকে তবে সেই গ্রহ শুভ ফলদাতা হয়ে যায়। তবে দ্বাদশ ভাবের কারক হয়েও এক্ষেত্রে শনি বিশেষ বলশালী হয়ে উঠতে পারেনি তার কারণ স্বরূপ বলা যেতে পারে - চন্দ্র লগ্নের অধিপতি দ্বাদশ ভাবে অর্থাৎ ব্যায় ভাবে থাকার কারণে লগ্ন ভাব দুর্বল হয়ে গেছে।
জ্যোতিষীয় সূত্র অনুসারে স্বাভাবিক তথা সামগ্রিক অর্থে শনির গৃহে অর্থাৎ মকর এবং কুম্ভ রাশিতে বৃহস্পতির অবস্থান সাধারণতঃ শুভ ফল দায়ক হয়ে থাকে। তবে বৃহস্পতির গৃহে অর্থাৎ ধনু এবং মীন রাশিতে শনির অবস্থান বিশেষ শুভকর নয়। তাই এক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে উভয় সূত্র অনুসারেই চন্দ্রলগ্ন অধিপতি শনি পীড়িত।
এর পাশাপাশি ক্রূর গ্রহ মঙ্গলের অষ্টম দৃষ্টি পঞ্চম ভাবে রাহুর উপরে পড়ছে। রাহু হলো এক্ষেত্রে অসুস্থতার কারক, সেই রাহু অবস্থিত ষষ্ঠ ভাবে যা অসুস্থতার স্থান হিসাবে জ্যোতিষ শাস্ত্রে নির্ধারিত করা হয়েছে। এই রাহু সম সপ্তমে পাঁচটি গ্রহ দ্বারা দৃষ্ট যাদের অবস্থান চন্দ্র লগ্নের দ্বাদশ ভাবে। তাই এই জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুসারে এই কথা বলা একেবারেই অনুচিত হবে না যে এই মহামারীর থেকে সত্ত্বর নিষ্কৃতি পাওয়া সম্ভব নয় । গুরুচক্র ২৯ জানুয়ারী ২০২১ পর্যন্ত বিদ্যমান থাকবে, যখন রবির সাথে বৃহস্পতির পুনর্বার যুতি সম্পর্কের সৃষ্টি হবে। তবে ভালোর দিকে বলতে গেলে বৃহস্পতির ২৯ মার্চ ২০২০ ধনু রাশি থেকে মকর রাশিতে প্রবেশ করেছে যার অর্থ বৃহস্পতি দ্বাদশ ভাবের থেকে চন্দ্রলগ্ন ভাব অর্থাৎ স্বাস্থ্য ভাবে বিরাজমান। ২৪ মার্চ ২০২০ চন্দ্রলগ্ন অধিপতি শনি দ্বাদশ ভাব ত্যাগ করে প্রথম ভাবে অর্থাৎ লগ্ন ভাবে প্রবেশ করেছে। এই কারণে বলা যেতে পারে এপ্রিল মাসের থেকে এই বিষয়ে আমরা পৃথিবীবাসীরা আলোর এক নতুন দিশার দিকে এগিয়ে চলেছি। প্রসঙ্গতঃ এই এপ্রিল মাসের শেষের দিকে অক্সফোর্ডে করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিন টেস্ট করা হয়েছে। যার থেকে সুখবরের আশা করা যাচ্ছে।
নতুন সম্বৎসর বা নতুন বছর
আমি আমার পূর্ববর্তী রচনাতে এই মহামারীর কারণ স্বরূপ যে বিষয় গুলি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে উল্লেখ করেছি তার পাশাপাশি অন্যতম কারণ হলো সম্বৎসর। বৈদিক জ্যোতিষ শাস্ত্রে প্রতিটি বছরকে আলাদা আলাদা নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে সেই বিশেষ বছরের কিছু গুণাগুণ অনুসারে। নতুন সম্বৎসরের সূচনা হয় চৈত্র মাসের প্রতিপদ তিথি থেকে। বিগত বছরে ৬ই এপ্রিল ২০১৯ তারিকে শুরু হওয়া সম্বৎসরের নাম ছিল বিকারী এবং বিক্রম সম্বৎ অনুসারে পরিধাবী। পরিধাবী সম্বৎসর সর্বদাই মহারোগের নির্দেশক অর্থাৎ মহামারী নির্দেশ করে থাকে। আবার বিকারী শব্দের অর্থ হলো অসুস্থতা বা রোগ বিরোগ। এই কারণে বলা যেতে পারে গত বছরের যে সম্বতকাল শুরু হয়ে ছিল তা এক প্রকারে রোগের তথা মহামারীর দিকেই নির্দেশ করছিলো। ফল স্বরূপ আমরা দেখতে পাচ্ছি বর্তমানে উক্ত সম্বৎসর থাকা কালীন সময়েই এই মহামারীর উদ্রেক ঘটে।
চন্দ্রের তিথি প্রবেশ
চৈত্র মাসের প্রতিপদ তিথিতে নির্মিত কুণ্ডলীর পর্যালোচনা করলে আমরা দেখতে পাবো সাধারণতঃ বছরের শুরুর দিনের পঞ্চাঙ্গ অনুসারে ত্যাজিক শাস্ত্র ভিত্তিতে সেই বছরে ওই দেশের রাজধানীর একটি কুণ্ডলী নির্মাণ করা হয়ে থাকে। যার থেকে উক্ত বছর সেই রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় ফলাফল বিচার করা হয়ে থাকে। তবে এই বিষয়টি একেবারেই আলাদা। কারণ করোনা কোন দেশ বা রাষ্ট্রের
বাইরে সমগ্র পৃথিবী ব্যাপী মহামারীর ক্ষেত্রে বিচার করতে স্বাভাবিক অর্থেই বিশ্লেষণের পদ্ধতি বা প্রক্রিয়া ভিন্ন হবে এটাই বাঞ্ছনীয়। পূর্ব কথন অনুসারে তাই লগ্ন কুণ্ডলীর পরিবর্তে চন্দ্র কুণ্ডলীকে বিচারের ক্ষেত্রে গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে। যদি আমরা উক্ত সময়ের কুণ্ডলী বিচার করি তবে দেখতে পাবো চন্দ্র রাশির অধিপতি বৃহস্পতির উপরে তিনটি মুখ্য ক্রুর গ্রহেরপ্রভাব বর্তমান। বৃহস্পতি শনি এবং কেতুর সাথে অবস্থিত এবং মঙ্গল গ্রহের দৃষ্টি দ্বারা প্রভাবিত। যার ফল স্বরূপ বৃহস্পতি অবস্থান দুর্বল। প্রায় সব কয়টি নৈসর্গিক ক্রুর গ্রহের দ্বারা চন্দ্র দৃষ্ট। চন্দ্রের সাথে ষষ্ঠ স্থানের অধিপতির যুতি পরিস্থিতিকে আরও দুর্বল করে তুলতে সহায়কের ভূমিকা পালন করেছে। প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য ষষ্ঠ স্থান জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুসারে রোগ বা অসুস্থতার ক্ষেত্রে বিচার্য্য। লগ্ন স্থানে ষষ্ঠ ভাবের অধিপতির অবস্থান রোগ উৎপন্ন করতে সহায়ক হয়ে থাকে। দুটি শুভ গ্রহ বুধ এবং শুক্র দ্বাদশ ভাবে অর্থাৎ যে স্থানের থেকে শয্যা সুখ বিচার করা হয় সেই স্থানে অবস্থিত হয়ে শনি দ্বারা প্রভাবিত। এর প্রভাবে জটিলতার বৃদ্ধি সূচিত করেছে।
পরিশেষে বলা যায় - উপরে আলোচিত করোনা ভাইরাস এর প্রকোপের কারণের উল্লেখ করবার পাশাপাশি যে সূত্র গুলি ব্যবহার করেছি সেগুলির উপরে ভিত্তি করে বলা যেতে পারে, বৃহস্পতি কুণ্ডলী অনুসারে করোনা ভাইরাস এর প্রভাবে ২৯ জানুয়ারী ২০২০ পর্যন্ত বিদ্যমান থাকবে। করোনা ভাইরাস এর চরম সীমাতে আমরা পৌঁছে গেছি গত মাসের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে। মে মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে আমরা এই বিষয়ে অর্থাৎ এই মহামারীর প্রভাবে কিছুটা স্তিমিত হতে অনুভব করবো। তবে করোনা ভাইরাস এই মুহূর্তে বিদায় নেবে না। আমাদের এর কারণে আগামী বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে মে মাসের থেকে এই ভাইরাস এর প্রভাবে কিছুটা স্তিমিত নিশ্চিত ভাবেই হবে।
এবারে সম্বৎসর বিষয়ে বিচার করলে দেখবো ২৫ শে মার্চ ২০২০ থেকে প্রমাদি নামক সম্বৎসরের সূচনা হয়েছে। যার প্রভাবে ভাইরাস ঘটিত রোগের প্রভাবের স্থিতির মধ্যে এক প্রকারের বিক্ষিপ্ত পরিস্থিতি অর্থাৎ কখনো কম কখনো বেশি এমন পরিস্থিতি সূচিত করবে। আবার কোথাও কম কোথাও বেশি এর প্রভাবও দেখা যাবে। এই সময় অর্থাৎ এই সম্বৎসরের নিরিখে প্রায় সমস্ত কয়টি দেশ অর্থনৈতিক দিক থেকে কিছুটা টালমাটাল অবস্থার মধ্যে থাকবে। তবে ভারতবর্ষ কর্কট রাশির দেশ হবার কারণে বৃহস্পতির নীচ স্থানের অবস্থান করতঃ তুঙ্গ ভাবে দৃষ্টি এই পরিস্থিতির থেকে অপেক্ষাকৃত কম সময়ে, সুষ্ঠু ভাবে উন্নয়ন হবে।
প্রবন্ধের একেবারে শেষে এসে তাই বলতে চাই ভারতবর্ষের প্রেক্ষিতে বিশ্লেষণ করলে এই হিন্দু নববর্ষ যার সূচনা হয়েছে ২৫ শে মার্চ ২০২০ এবং আগামী হিন্দু নববর্ষ পূর্ববর্তী বছরের থেকে অনেক বেশি উপযোগী এবং শুভকর। অতএব ভারত এই মহামারীর প্রতিরোধে বিশেষ সক্ষমতা অর্জন করবে এই বিষয়ে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই।

2 মন্তব্যসমূহ
সমৃৃৃদ্ধ
উত্তরমুছুনএই মন্তব্যটি লেখক দ্বারা সরানো হয়েছে।
উত্তরমুছুন