পোস্ট বার দেখা হয়েছে
কান্ডারী
ইয়া সিন
যুদ্ধের লহমা নাড়ু বানিয়ে
ভেঙে গেছে খুদার ঘর।
বিদ্রোহ
বিশ্ব দরবারে ক্ষুধার ব্যারি
মানুষ মারে ভাতে পিষে৷
হে মহিমান। বলিষ্ঠ সুপুরুষ
মহা বিদ্রোহের সওদাগর।
ক্ষুদিত
চাঁদের কুয়ো— তরবারি
নজরুল
সকল মানুষে৷
===
মুক্তিকামী
মেখলা ঘোষ দস্তিদার
অন্যায় ঘিরে বিষাদ পলকে
বেজে ওঠে সেই তূর্যধ্বনি
তোমার নামে কাজী নজরুল
মুক্তিকামী চোখের মণি,
অতি-আচারের বেহিসেবী চাল
মরমে মরমি কী বিষম ছেদ-
যতি পেরিয়ে প্রশ্ন চিহ্নে
জেনেছি -
তোমার বাক্য বেদ,
ধর্ম ভীরুতা, ধর্মের দোহাই
এই গ্রহের পরে শোষণ ভুল,
আজো চলেছে দিগ্বিদিকে
বিদ্বেষ ভরা ছিন্ন মূল,
তবুও মানুষ পড়েনি ভেঙে
চেতন আলোকে ফোটায় ফুল
তোমার নামে কবিতা ও গানে
বিশ্বের মাঝে তুমি বুলবুল,
সাম্প্রদায়িক ত্রস্ত আঁধারে
ষতই আসুক মৌলবাদ
সম্প্রীতি বোধে জ্বলবে বাতি
ইচ্ছে পূরণে মানবিক সাধ,
সাম্যের গানে উচ্চারণে
নারীর প্রতি তোমার বাণী,
বিপদ- বাধা মাড়িয়ে যায় তারা
নির্ভয় চিত্তে ক্লেদ - গ্লানি,
দ্রোহের আগুনে বুক পেতে দিতে
কৃষক- শ্রমিক এগিয়ে সব
বিদ্রোহী বীর, বাঙালীর মনে
অমর তুমি,অগ্নিবীণায়
তোমার রব।
=====
চেতনার কবি নজরুল
শিবানী গুপ্ত
নজরুল তুমি চেতনার কবি
সাম্যের কবি জানি,
অসি সম তব তুখোর যে মসি
বিশ্ব জুড়েই মানি।
চেতনার গানে জাগালে সবারে
অগ্নি রোষের তেজে,
বিদেশি তাড়াতে উঠে যে রুখিয়া
রুদ্র সেনানী সেজে।
কলমের বাণে শাসকেরা ভয়ে
পাল্টা আঘাত হানে,
তোমাকে ধরে যে দারুণ রাগেতে
কারাবাস সাজা দানে।
তব বিদ্রোহী কবিতার সুরে
প্রাণেতে বহ্নি জ্বলে,
নির্ভীক সেনা মুক্তি আনিতে
ভীষন যুদ্ধে চলে।
তুমি নজরুল বড়ো আনমোল
বঙ্গভূমির কূলে,
চেতনার কবি রবে তব ছবি
শ্রদ্ধা ভক্তি ফুলে।

0 মন্তব্যসমূহ