স্বাধীনতা | উত্তম কুমার দাস




পোস্ট বার দেখা হয়েছে

ধার করা যৌবনের অনেকটা শোধ হয়ে গেছে তবুও নগরগামী প্রত্যাশার যাত্রাপথে বিস্তর দেনা বাকি। হতাশার সমুদ্রে দেবতার অভিশাপে মনুষত্বের মড়ক লেগেছে... ‌ তবু এগিয়ে যাওয়ার আগাম সংকেত কর্মবাদের টানে! কার্যকারণ সূত্র টা জন্মান্তরবাদকে উপেক্ষা করে.. চার্বাকীয় দর্শন মাঝখানে জটিলতা সৃষ্টি করে.. অনুমানকে উপেক্ষা করার সাহস করতে পারি না।

..... তাই হেঁটে চলতে হয় প্রচলিত পথে, যেখানে প্রতিমুহূর্তে শিকার হয় অসহায় মা বোন বাবারা.. ভাইয়ের জীবনের বিনিময়ে যেখানে দেশের অর্থনীতি, দারিদ্র্য যেখানে চরম পরিহাস... তবুও বিস্তর আয়োজন শিক্ষা কর্ম পরিবহন ও সংস্কৃতি সবটা জুড়ে... যদিও অন্তরের সমীকরণে সবটা শূন্য! কে দেয় মনুষ্যত্বের দাম... কারোর জীবনে বিবেক দংশন করে না.. লুট করা জীবনের সকলেই লুটেরা আর পড়ে থাকা অবশিষ্টে বাকিরা ভিখারি।.... তবুও বয়ে চলে সভ্যতার স্রোত মাঝ নদীতে নোঙর ফেলার অপেক্ষায়। নদীর গতিধারা সময়কে জীবনের মানদন্ডে দাঁড় করায়... কিন্তু প্রত্যাশা তখন লেপের তলায় আয়েশী মনে দিন রাতের হিসেব করে.. ধীরে ধীরে যখন প্রাপ্তিটা ছোট হয়ে আসে তখন বিদ্যালয়ে পড়ানো হয় নিউটনের গতিসূত্র...মাধ্যাকর্ষণ শক্তি।


শিক্ষাব্যবস্থার অমূল পরিবর্তনের শিক্ষিত হয় সমাজ সভ্যতাকে ভেঙে... মাতৃভাষা ভুলে বিদেশে পাড়ি জমায় দেশের দুরবস্থা গুলো... মাটির টানে বদলে যায় ভালবাসার এক দুর্বার মানচিত্র... সবটা যখন হারিয়ে যায় তখন বৃদ্ধা মা আর অসহায় বাবার চোখে জল। তবুও থামেনা জনসংযোগ, বিজ্ঞাপনের মাধ্যম, ব্যাংক ঋণ, খাদ্যাভ্যাস... শুধু একটা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয় একটা নিস্তব্ধ রাত একটা নতুন দিনের অপেক্ষায়...........

আর তখন দলে দলে হেঁটে চলে ফ্রাঁসোয়া ক্রুফো,হিচকক,জঁলুক গোঁদার আর বাংলা

সিনেমায় রবীন্দ্র সংগীত।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ