পোস্ট বার দেখা হয়েছে
রক্তদান শিবির
জানি,জন্মদাগ হয়ে জন্মকে চিরতরে ভুলে যাবে
আবারও বর্ণভেদের দেওয়াল গাঁথবে নিখুঁতভাবে।
আগুন ধোঁয়ার চোখে নিভিয়ে দেবে--
আর্দ্র জলবায়ুর ইতিহাস!
মনে পরবে না আর কখনো--
উজাড় করা মৌসুম মেঘের আত্মপ্রত্যয়।
তারা খশে পড়া,আদম ঝড়ের নালিশ।
আদর রাতের বুকে লাগামহীন ইভের দ্বন্দ্ব।
মৌমাছি খুনের রঙে,সব ভুলে যাবে।
আলোর মানচিত্রে মন চেয়েছিল একটা রাজধানী।
ছায়া-ধুলোর বিছানায় পেয়েছে শুধুই বিরতি।
এখন চারিদিকে কত নতুন আদরের রোশনাই
এক হয়ে যাবে তোমার অতীত-বর্তমানে।
বিশ্বাস ছাঁচে তুমি আমার প্রতিদ্বন্দ্বী মুখ।
বৃষ্টির নির্বাচনে হেরে গিয়ে,
তোমার রক্তে খরার প্রবণতা।
সুখ বিক্রি হয় বাজারে,
আর প্রেম রক্তদান শিবিরে।
===
ব্রাত্য সুখ
রজত ঠিক রাত এগারোটায় বাথরুমে ঢুকল।শীতের রাতে গা থেকে একটা-একটা করে পোশাক খুলে ফেলছে।বাবার কাশ্মীরি শাল, লিপস্টিক লাগা বর্মার টুপি, মায়ের বুকুন লেখা সোয়েটার থেকে শুরু করে ইনারওয়ার্সটুকুও খুলে ফেলল। আয়নার সামনে ভেসে উঠলো আদিম প্রতিবিম্ব! ব্রাত্য সুখের শিহরণ রোমকূপের আদল ছুঁয়ে গেলেও, সেই নিস্তেজ উষ্ণতা তাকে কিছুতেই মুক্তি দিচ্ছে না।ডিসেম্বরের শেষ রাতেও ঘামের এক-একটা ফোঁটা তার শরীর চুঁইয়ে পরছে। কিছুতেই সে সম্পূর্ণ নিরাবরণ হতে পারছে না।একাকিত্বের চাদর যে তাকে আষ্টেপিষ্টে জড়িয়ে ধরেছে।

0 মন্তব্যসমূহ