পোস্ট বার দেখা হয়েছে
জীবন মানেই একটা চক্র --- জন্ম থেকে মৃত্যু, প্রতিটি প্রাণ এই চক্রের অন্তর্গত। মানুষের জীবনের ভাগ রয়েছে শৈশব কৈশোর যৌবন প্রৌঢ় ও বার্ধক্য---এই ভাগ মোটামুটি জন্মানোর পর থেকে মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত। এই সব কটি ভাগ নিয়েই একটা জীবন।
আমি আজ বর্তমান জীবনের কথা সমাজে কতটা দাগ ফেলেছে সেটাই তুলে ধরছি। যদিও এটা আমার সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উপলব্দির ফলাফল।
এখনকার জীবন হলো কপি পেস্ট-এর জীবন এর অর্থ হলো ধারাবাহিকতা হীন এক যান্ত্রিক জীবন , এটাই এই যুগের বেশির ভাগ
মানুষের জীবন । বড়ো বেশি একঘেয়েমির যাপন প্রতিযোগিতা প্রবণ জীবন সর্বক্ষেত্রে
যোগ্যতা অযোগ্য ভেদাভেদহীন অর্থাৎa মানুষের স্বতন্ত্রতা নেই তাই বোধহয় আর একটা রবীন্দ্রনাথ বা সচিন মোদ্দা কথা হলো ব্যতিক্রমী জীবনের অধিকারীর সংখ্যা ভীষণ কম অর্থাৎ দেশ বা পৃথিবী আর জিনিয়াস দেখতে পাচ্ছে না----- কি করে a পাবে? দেশের সব ছাত্রছাত্রীরা ৯০% মার্কস পেতে মরিয়া আর পায় ও নইলে ৮২ তা কেমোথেরাপি নেওয়া মেয়ে যেমন তেaaমন নয় উছমাধ্যমিকে অষ্টম স্থান অধিকারী। আর ঠিক এইভাবেই সব ছাত্রছাত্রী এক অদৃশ্য প্রতিযোগিতার প্রতিযোগী এদের উৎসাহদাতা অবশ্যই তাদের মা বাবা। আবার ওপর পিঠের ছবিও আমরা দেখি অকৃতকারী ছাত্রছাত্রীরা বিনা দ্বিধায় এই প্রতিযোগিতায় হেরে গিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে আমার জিজ্ঞাসা কেন? কেন এরকম চিন্তাধারা যা কিনা এই যুগেই প্রকটভাবে দেখা যাচ্ছে অর্থাৎ প্রতিযোগিতার মাঠে হারার নাম আত্তহত্যা! তাহলে জীবনের চিরাচরিত প্রবাদ বাক্য " failure is the pillar of sucess" খাটছে কি? এবার আসি বর্তমানে স্ট্যাইল- স্টেটম্যান কথাটি অযোগ্য , যোগ্য হলো ফ্যাশন তাই মানুষের স্বতন্ত্রতা খুঁজে পাওয়া দুস্কর । এই প্রজন্ম নিজেদের জেন-জি বলে উল্লেখ করে । এই যুগের জীবন ডিজিটাল কিন্তু জীবনের নিয়ম অস্বীকার সেটা মানতে কষ্ট হয়। শৃখলাহীন জীবনে আজ আমরা কি ভাবে অভ্যস্ত হলাম জানি না হয়তো এর কারণ সব কিছুতেই easy- going আর ব্যস্ততাতে মোড়া। জীবন উপভোগ পার্টি- কালচার আর বিদেশ নিয়ে আদিখ্যেতা। নিজেরাই এই জীবনে অবিচার করে বিচার চাইছি !! প্রতিটি জীবনের গোড়াতে ঘুন ধরেছে তাই শিকড়ের প্রতি যত্নবান নোই আমরা কেউই । আমি তুমি বা আর সবাই একটাই ডাইস থেকে যেন গড়া তাই মনে হয় "প্রতিশ্রুতি" "অনুগত" "দায়িত্ব" "দেশ" বা "দশের" ভাবনা এই শব্দগুলি এখনকার জীবনে মানে রাখে না ,বড়ো ক্লিশে মনে হয়। কোন এক অদৃশ্য আঙ্গুলির নির্দেশে আমরা আপন সত্বাকে মেরে ফেলে রোবোটিক দাস রূপে সবাই রূপান্তরিত হয়ে গেছি ।

0 মন্তব্যসমূহ