পোস্ট বার দেখা হয়েছে
ছেলেটা দেখছে সূযোর্দয়,
টুকটুকে সকালবেলার রোদ মেখে ছুটছে—
গন্তব্য আরও একটু দূর…
ছুটতে ছুটতে চোখে পড়ে স্কুলগামী বাস,
বইপত্র কাঁধে ওরা যায়— ওরই মতো।
ছেলেটা থামে—
ঘামে ভেজা শরীর,
চুইয়ে পড়ে স্বপ্ন পায়ের পাতায়।
ও দেখছে রঙিন জামা গায়ে
বাবা-মায়ের সাথে যাচ্ছে অন্যজন—
চোখজুড়ে ছেলেটার ভাসে স্যুট-বুট!
ছেলেটা ছুটছে শতাব্দীর সাথে সাথেই,
পথেই রাতদিন— আকাশ, নক্ষত্র।
দেখছে উৎসবের কত রঙ লাল-নীল,
শূন্যতাকে লালন করে কী অবলীলায় ছেলেটা।
পেট পড়ে আছে তলানিতে,
রুক্ষ চুল, কঙ্কালসার শরীর—
হাতে চুন, সুড়কি, বালি আর ভবিষ্যত!
ছেলেটা টেনে নিয়ে যায় চাকা—
সভ্যতার বুকে গড়ে ওঠে ইমারত।
বয়স দশ, নয়তো এগারো!
গুমরে কাঁদে শৈশব নীরবে—
কেউ শোনে না,
কেউ না… কেউ না।

0 মন্তব্যসমূহ